বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
ফ্রম আদনান রাশিদ টু মালালা ইউসুফজায়
তাদের প্রতি সালাম যারা সরল পথে চলে
অবশেষে মালালা নাটকের রহস্য ফাঁসঃ..!

মিস মালালা ইউসুফজায়
আমি এই প্রথমবারের মতো আমার ব্যাক্তিগত আখাংখায় তোমার উদ্দেশে লিখছি, যা তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান বা অন্য কোন জিহাদি গ্রুপ বা দলের মতামত বা পলিসি নয়।
আমি তোমার সম্পর্কে প্রথমবারের মতো জানি বিবিসি উর্দু সার্ভিস এর মাধ্যমে যখন আমি বান্নু জেলখানায় ছিলাম। আমি তখনই তোমাকে কিছু নসিয়ত দিয়ে লিখতে চেয়েছিলাম যেন তালিবান বিরোধী কাজসমুহ থেকে তুমি বিরত থাক। কিন্তু আমি তোমার ঠিকানা খুঁজে পাচ্ছিলাম না এবং ভাবতেই থাকলাম কিভাবে(রিয়েল না ছদ্দ নামে) তোমাকে এপ্রচ(approach) করা যায়।আমরা একই ইউসুফজায় গোত্রের, তাই তোমার সাথে আমার সকল আবেগ একজন ভাইয়ের মত। এরই মধ্যে জেলখানা ভেঙ্গে ফেলা হয় এবং আমাকে লুকিয়ে থাকতে হয়। যেদিন তুমি আক্রমণের শিকার হলে সেদিনটি ছিল আমার জন্য অতিশয় বেদনার এবং কাম্য ছিল এমনটি না হবার বা হবার আগেই যদি তোমাকে চিঠিটা লিখতে পারতাম।
তালিবানরা তোমাকে আক্রমন করেছে। এটা কি ইসলামের দৃষ্টিতে সঠিক না ভুল বা মৃত্যুদণ্ড তোমার প্রাপ্য কি না; আমি এখন এই আরগুমেন্টে যাব না, বরং চল আমরা তা আল্লাহ্র উপর ছেড়ে দেয়, নিশ্চয় তিনি শ্রেষ্ঠ বিচারক। এখানে আমি শুধুই তোমাকে কিছু নসিহা দিতে চাই যদিও আমি অলরেডি দেরি করে ফেলেছি , আরও ভাল হত যদি আমি আমার জেলখানায় থাকাকালীন সময়ে তোমাকে চিঠিটা লিখতাম। প্রথমত, মনে রেখ তালিবান তোমাকে কখনই আক্রমন করেনি কারন তুমি স্কুলে যাও বা তুমি পড়ালেখাকে ভালবাস এবং আরও মনে রেখ তালিবান অথবা মুজাহিদিন পড়ালেখার বিরোধী নয়, হউক তা কোন পুরুষ, মহিলা বা বালিকার জন্য। তালিবানরা বিশ্বাস করে সোয়াতে ইসলামিক সিস্টেম প্রথিস্থা করতে তাদের অদ্ধাবসায়ের ক্ষতি করতে তুমি একটি জোরাল ক্যাম্পেইন চালিয়ে আসছিলে এবং তোমার লেখা ছিল উস্কানিমূলক।
তুমি গতকাল তোমার বক্তৃতায় বললে তলওয়ারের থেকে কলমের জোর বেশী। তার মানে তালিবানরা তোমাকে আক্রমন করেছে তোমার তলওয়ারের জন্য, কোন বই বা স্কুলের জন্য নয়। সোয়াতে হাজার হাজার মেয়েরা স্কুলে যায় তালিবান অভ্যুত্থানের আগে ও পরে। তবে, আমাকে একটু বুঝাতে পার যে কেন একমাত্র তুমিই তাদের আক্রমণের লিস্টে???
এখন দ্বিতীয় পয়েন্ট তোমাকে বুঝায় যে কেন তালিবানরা স্কুল ভুস্মিভুত করছে? এই প্রশ্নের উত্তর হল তালিবানরা একাকী KPK or FATA তে স্কুলগুলি উড়াই দিচ্ছে না, বরং পাকিস্তান আর্মি এবং Frontier Constabulary সমানভাবে জড়িত এই ঘটনার সাথে। আর এর কারন দুই গ্রুপের জন্যই একই, আর তা হল যখন যে সময় তাদের দুই পার্টির(তালিবান বা পাকিস্তান আর্মির)কেউ একজন স্কুলকে দখল করে; তারা এটি লুকানোর জায়গা, ট্রানজিট ক্যাম্প হিসেবে ব্যাবহার করে।
২০০৪ সালে আমি সোয়াতে ছিলাম, সুফি মুহাম্মাদের প্রথম বিপ্লবের প্রয়াস ব্যর্থ হওয়ার কারণগুলো নিরীক্ষা করছিলাম। আমি জানতে পারলাম FC ঘাটি করেছিল সোয়াতের tehsil Matta তে এবং তারা স্কুলগুলোকে লুকানোর জায়গা আর ট্রানজিট হিসেবে ব্যাবহার করছিল। এখন বল অভিযোগটা কাদের বিরুদ্ধে হওয়া উচিত।
পাকিস্তান আর্মি ও FC ডজন খানেক স্কুল কলেজকে তাদের ব্যারাক হিসেবে FATA তে। তুমি এগুলো জানতে চাইলে খুব সহজেই তা সম্ভব। আর তালিবানের পলিসি হল যখন কোন কিছু মারাত্মক ভয়ের হয়ে দাড়াই তাকে ধ্বংস করা। তারা যদি স্কুলকে কৌশলগতভাবে ব্যাবহার না করে, তবে এগুলো ধ্বংস করা কনভাবেই তালিবানের কাজ না, হয়ত প্রশাসনের কোন কুলাঙ্গার স্কুলের নাম করে নিজদের ব্যাঙ্কে টাকা ভরতে এ কাজ করতে পারে।
এটা ছিল অতিশয় বেদনার এবং আশা করি যদি তা কখনই না হত
এখন আস মুল পয়েন্টে যা হল “শিক্ষা/পড়ালেখা” এটা দেখতে অবাক লাগে যে তুমি শিক্ষা শিক্ষা করে চিৎকার করছ। তুমি ও UNO এমন ভাব দেখাচ্ছ যেন তুমি আক্রমণের শিকার হয়েছ এই শিক্ষার কারনে; যদিও এটা কারন ছিলনা। সত্যবাদী হও, শিক্ষা নয়, বরং ইস্যুটা ছিল তোমার প্রপাগান্ডা এবং যা তুমি এখন করছ, তুমি তোমার মুখ অন্যদের আদেশে চালাচ্ছ। তোমার অবশ্যই জানা থাকা উচিত যদি তলওয়ারের থেকে কলমের শক্তি বেশী হয়, তবে ‘মুখ’ আরও বেশী ধারাল এবং তলওয়ারের আঘাত নিরাময় করা গেলেও ‘মুখ’ দিয়ে করা আঘাত কখনই নিরাময়যোগ্য নয়। আর যুদ্ধে অস্ত্রের থেকে মুখ বেশী ধ্বংসাত্মক।
আমি তোমাকে একটু মনে করিয়ে দিতে চাই ব্রিটিশ আগ্রাসনের আগে যে ভারতীয় উপমহাদেশ ছিল উচ্চ শিক্ষত এবং এঁর প্রায় প্রত্যেক নাগরিক লিখতে পড়তে পারত। লোকাল মানুষ ব্রিটিশদের আরবি, হিন্দি, উর্দু ও পার্সিয়ান শিখাত। মুসলিম সম্রাটরা বিশাল অংকের টাকা খরচ করতো শিক্ষার পিছনে এবং প্রায় প্রতিটি মসজিদই স্কুল হিসেবে কাজ করতো। মুসলিম ভারত কৃষিখাতে, সিল্কে, জুট, জাহাজ ইন্ডাস্ট্রি ও টেস্টাইলে ছিল উন্নত ছিল। ছিলনা কোন দারিদ্রতা, কোন ক্রাসিস, জাতিগত বা ধর্মীয় কোন দাঙ্গা। কারণটা ছিল এই শিক্ষা ব্যাবস্থাটার ভিত্তি ছিল নোবেল/মহৎ চিন্তাভাবনা ও কারিকুলামের উপর।
আমি তোমার মনোযোগ আশা করছি স্যার T.B Macaulay একটি লেখাতে যেটা তিনি ১৮৩৫ সালের ২ রা ফেব্রুয়ারি ব্রিটিশ পারলামেন্টকে লিখেছিলেন যে কিভাবে উপমহাদেশীয় মুসলিম শিক্ষা ব্যাবস্থার প্রতিস্থাপন সম্ভব। তিনি বলেন, “ আমাদের অবশ্যই শেষ পর্যন্ত চেষ্টা করে যেতে হবে ‘একটি শ্রেণী’ তৈরি করার, যারা আমাদের ও মিলিয়ন ভারতীয় যাদের আমরা শাসন করি তাদের মাঝে একটি ‘মাধ্যম’ হিসেবে কাজ করবে, যেই শ্রেণী রক্তে ও বর্ণে ভারতীও হবে কিন্তু মরালিটি, স্বাদে ও মতামতের ক্ষেত্রে ইংরেজ হবে”। এই সেই তথাকথিত এডুকেসান সিস্টেমের প্লান ও মিসন যার জন্য তুমি মৃত্যুর জন্যও প্রস্তুত আছ, আর ে কাওরনেই UNO তোমাকে তাদের অফিসে নিয়েছে যাতে করে আরও প্রচুর পরিমানে রক্তে এশিয়ান, কিন্তু স্বাদে ইংরেজ তৈরি করতে পারে, যেন আরও রক্তে আফ্রিকান কিন্তু মতামতের ক্ষেত্রে ইংরেজ বানাতে পারে। এই কি সেই তথাকথিত শিক্ষাব্যাবস্থা নয়, যা ওবামার মতো হাজার মানুষের খুনিকে তোমার আদর্শ বানাই?
কেন তারা সমগ্র মানবজাতিকে ইংরেজ বানাতে চাই? কেননা, ইংরেজরা ইহুদীদের কট্টর সাপোর্টার এবং তাদের দাস। তুমি কি ভারতে ইংরেজি শিক্ষার ভিত্তিস্থাপনকারী ও সিম্বল স্যার সৈয়দ আহমেদ খানকে চিন? সে ছিল একজন ফ্রিমেসন(শয়তানের পূজাকারী)।
তুমি বলো যে একজন শিক্ষক, একটি পেন ও একটি বই পুরা বিশ্বকেই চেঞ্জ করে দিতে পারে। হ্যা আমিও একমত তোমার সাথে; কিন্তু কোন শিক্ষক? কোন পেন? আর কোন বই? এটা তোমার স্পেসিফাই করে বলতে হবে। হযরত মুহাম্মদ সাঃ বলেছেন, “আমি একজন শিক্ষক হিসেবে প্রেরিত হয়েছি, এবং তিনি(আল্লাহ) শিক্ষা দেয়ার জন্য বই হিসেবে কুরআন প্রেরন করেছেন”। তাই, স্যাটানিক(ফ্রিমেসনের) বা সেকুলার (ধর্মনিরপেক্ষ) শিক্ষার কারুকুলাম নয়, বরং নবুয়াতের কারিকুলামের ভিত্তিতে একজন সাধু ও মহৎ লোকের মাধ্যমে পুরো পৃথিবীই চেঞ্জ হতে পারে।
http://topinfopost.com/2013/ 07/22/ the-talibans-letter-to-malala-y ousafzai
http://www.bd-pratidin.com/2013/10/12/21284

ফ্রম আদনান রাশিদ টু মালালা ইউসুফজায়
তাদের প্রতি সালাম যারা সরল পথে চলে
অবশেষে মালালা নাটকের রহস্য ফাঁসঃ..!
মিস মালালা ইউসুফজায়
আমি এই প্রথমবারের মতো আমার ব্যাক্তিগত আখাংখায় তোমার উদ্দেশে লিখছি, যা তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান বা অন্য কোন জিহাদি গ্রুপ বা দলের মতামত বা পলিসি নয়।
আমি তোমার সম্পর্কে প্রথমবারের মতো জানি বিবিসি উর্দু সার্ভিস এর মাধ্যমে যখন আমি বান্নু জেলখানায় ছিলাম। আমি তখনই তোমাকে কিছু নসিয়ত দিয়ে লিখতে চেয়েছিলাম যেন তালিবান বিরোধী কাজসমুহ থেকে তুমি বিরত থাক। কিন্তু আমি তোমার ঠিকানা খুঁজে পাচ্ছিলাম না এবং ভাবতেই থাকলাম কিভাবে(রিয়েল না ছদ্দ নামে) তোমাকে এপ্রচ(approach) করা যায়।আমরা একই ইউসুফজায় গোত্রের, তাই তোমার সাথে আমার সকল আবেগ একজন ভাইয়ের মত। এরই মধ্যে জেলখানা ভেঙ্গে ফেলা হয় এবং আমাকে লুকিয়ে থাকতে হয়। যেদিন তুমি আক্রমণের শিকার হলে সেদিনটি ছিল আমার জন্য অতিশয় বেদনার এবং কাম্য ছিল এমনটি না হবার বা হবার আগেই যদি তোমাকে চিঠিটা লিখতে পারতাম।
তালিবানরা তোমাকে আক্রমন করেছে। এটা কি ইসলামের দৃষ্টিতে সঠিক না ভুল বা মৃত্যুদণ্ড তোমার প্রাপ্য কি না; আমি এখন এই আরগুমেন্টে যাব না, বরং চল আমরা তা আল্লাহ্র উপর ছেড়ে দেয়, নিশ্চয় তিনি শ্রেষ্ঠ বিচারক। এখানে আমি শুধুই তোমাকে কিছু নসিহা দিতে চাই যদিও আমি অলরেডি দেরি করে ফেলেছি , আরও ভাল হত যদি আমি আমার জেলখানায় থাকাকালীন সময়ে তোমাকে চিঠিটা লিখতাম। প্রথমত, মনে রেখ তালিবান তোমাকে কখনই আক্রমন করেনি কারন তুমি স্কুলে যাও বা তুমি পড়ালেখাকে ভালবাস এবং আরও মনে রেখ তালিবান অথবা মুজাহিদিন পড়ালেখার বিরোধী নয়, হউক তা কোন পুরুষ, মহিলা বা বালিকার জন্য। তালিবানরা বিশ্বাস করে সোয়াতে ইসলামিক সিস্টেম প্রথিস্থা করতে তাদের অদ্ধাবসায়ের ক্ষতি করতে তুমি একটি জোরাল ক্যাম্পেইন চালিয়ে আসছিলে এবং তোমার লেখা ছিল উস্কানিমূলক।
তুমি গতকাল তোমার বক্তৃতায় বললে তলওয়ারের থেকে কলমের জোর বেশী। তার মানে তালিবানরা তোমাকে আক্রমন করেছে তোমার তলওয়ারের জন্য, কোন বই বা স্কুলের জন্য নয়। সোয়াতে হাজার হাজার মেয়েরা স্কুলে যায় তালিবান অভ্যুত্থানের আগে ও পরে। তবে, আমাকে একটু বুঝাতে পার যে কেন একমাত্র তুমিই তাদের আক্রমণের লিস্টে???
এখন দ্বিতীয় পয়েন্ট তোমাকে বুঝায় যে কেন তালিবানরা স্কুল ভুস্মিভুত করছে? এই প্রশ্নের উত্তর হল তালিবানরা একাকী KPK or FATA তে স্কুলগুলি উড়াই দিচ্ছে না, বরং পাকিস্তান আর্মি এবং Frontier Constabulary সমানভাবে জড়িত এই ঘটনার সাথে। আর এর কারন দুই গ্রুপের জন্যই একই, আর তা হল যখন যে সময় তাদের দুই পার্টির(তালিবান বা পাকিস্তান আর্মির)কেউ একজন স্কুলকে দখল করে; তারা এটি লুকানোর জায়গা, ট্রানজিট ক্যাম্প হিসেবে ব্যাবহার করে।
২০০৪ সালে আমি সোয়াতে ছিলাম, সুফি মুহাম্মাদের প্রথম বিপ্লবের প্রয়াস ব্যর্থ হওয়ার কারণগুলো নিরীক্ষা করছিলাম। আমি জানতে পারলাম FC ঘাটি করেছিল সোয়াতের tehsil Matta তে এবং তারা স্কুলগুলোকে লুকানোর জায়গা আর ট্রানজিট হিসেবে ব্যাবহার করছিল। এখন বল অভিযোগটা কাদের বিরুদ্ধে হওয়া উচিত।
পাকিস্তান আর্মি ও FC ডজন খানেক স্কুল কলেজকে তাদের ব্যারাক হিসেবে FATA তে। তুমি এগুলো জানতে চাইলে খুব সহজেই তা সম্ভব। আর তালিবানের পলিসি হল যখন কোন কিছু মারাত্মক ভয়ের হয়ে দাড়াই তাকে ধ্বংস করা। তারা যদি স্কুলকে কৌশলগতভাবে ব্যাবহার না করে, তবে এগুলো ধ্বংস করা কনভাবেই তালিবানের কাজ না, হয়ত প্রশাসনের কোন কুলাঙ্গার স্কুলের নাম করে নিজদের ব্যাঙ্কে টাকা ভরতে এ কাজ করতে পারে।
এটা ছিল অতিশয় বেদনার এবং আশা করি যদি তা কখনই না হত
এখন আস মুল পয়েন্টে যা হল “শিক্ষা/পড়ালেখা” এটা দেখতে অবাক লাগে যে তুমি শিক্ষা শিক্ষা করে চিৎকার করছ। তুমি ও UNO এমন ভাব দেখাচ্ছ যেন তুমি আক্রমণের শিকার হয়েছ এই শিক্ষার কারনে; যদিও এটা কারন ছিলনা। সত্যবাদী হও, শিক্ষা নয়, বরং ইস্যুটা ছিল তোমার প্রপাগান্ডা এবং যা তুমি এখন করছ, তুমি তোমার মুখ অন্যদের আদেশে চালাচ্ছ। তোমার অবশ্যই জানা থাকা উচিত যদি তলওয়ারের থেকে কলমের শক্তি বেশী হয়, তবে ‘মুখ’ আরও বেশী ধারাল এবং তলওয়ারের আঘাত নিরাময় করা গেলেও ‘মুখ’ দিয়ে করা আঘাত কখনই নিরাময়যোগ্য নয়। আর যুদ্ধে অস্ত্রের থেকে মুখ বেশী ধ্বংসাত্মক।
আমি তোমাকে একটু মনে করিয়ে দিতে চাই ব্রিটিশ আগ্রাসনের আগে যে ভারতীয় উপমহাদেশ ছিল উচ্চ শিক্ষত এবং এঁর প্রায় প্রত্যেক নাগরিক লিখতে পড়তে পারত। লোকাল মানুষ ব্রিটিশদের আরবি, হিন্দি, উর্দু ও পার্সিয়ান শিখাত। মুসলিম সম্রাটরা বিশাল অংকের টাকা খরচ করতো শিক্ষার পিছনে এবং প্রায় প্রতিটি মসজিদই স্কুল হিসেবে কাজ করতো। মুসলিম ভারত কৃষিখাতে, সিল্কে, জুট, জাহাজ ইন্ডাস্ট্রি ও টেস্টাইলে ছিল উন্নত ছিল। ছিলনা কোন দারিদ্রতা, কোন ক্রাসিস, জাতিগত বা ধর্মীয় কোন দাঙ্গা। কারণটা ছিল এই শিক্ষা ব্যাবস্থাটার ভিত্তি ছিল নোবেল/মহৎ চিন্তাভাবনা ও কারিকুলামের উপর।
আমি তোমার মনোযোগ আশা করছি স্যার T.B Macaulay একটি লেখাতে যেটা তিনি ১৮৩৫ সালের ২ রা ফেব্রুয়ারি ব্রিটিশ পারলামেন্টকে লিখেছিলেন যে কিভাবে উপমহাদেশীয় মুসলিম শিক্ষা ব্যাবস্থার প্রতিস্থাপন সম্ভব। তিনি বলেন, “ আমাদের অবশ্যই শেষ পর্যন্ত চেষ্টা করে যেতে হবে ‘একটি শ্রেণী’ তৈরি করার, যারা আমাদের ও মিলিয়ন ভারতীয় যাদের আমরা শাসন করি তাদের মাঝে একটি ‘মাধ্যম’ হিসেবে কাজ করবে, যেই শ্রেণী রক্তে ও বর্ণে ভারতীও হবে কিন্তু মরালিটি, স্বাদে ও মতামতের ক্ষেত্রে ইংরেজ হবে”। এই সেই তথাকথিত এডুকেসান সিস্টেমের প্লান ও মিসন যার জন্য তুমি মৃত্যুর জন্যও প্রস্তুত আছ, আর ে কাওরনেই UNO তোমাকে তাদের অফিসে নিয়েছে যাতে করে আরও প্রচুর পরিমানে রক্তে এশিয়ান, কিন্তু স্বাদে ইংরেজ তৈরি করতে পারে, যেন আরও রক্তে আফ্রিকান কিন্তু মতামতের ক্ষেত্রে ইংরেজ বানাতে পারে। এই কি সেই তথাকথিত শিক্ষাব্যাবস্থা নয়, যা ওবামার মতো হাজার মানুষের খুনিকে তোমার আদর্শ বানাই?
কেন তারা সমগ্র মানবজাতিকে ইংরেজ বানাতে চাই? কেননা, ইংরেজরা ইহুদীদের কট্টর সাপোর্টার এবং তাদের দাস। তুমি কি ভারতে ইংরেজি শিক্ষার ভিত্তিস্থাপনকারী ও সিম্বল স্যার সৈয়দ আহমেদ খানকে চিন? সে ছিল একজন ফ্রিমেসন(শয়তানের পূজাকারী)।
তুমি বলো যে একজন শিক্ষক, একটি পেন ও একটি বই পুরা বিশ্বকেই চেঞ্জ করে দিতে পারে। হ্যা আমিও একমত তোমার সাথে; কিন্তু কোন শিক্ষক? কোন পেন? আর কোন বই? এটা তোমার স্পেসিফাই করে বলতে হবে। হযরত মুহাম্মদ সাঃ বলেছেন, “আমি একজন শিক্ষক হিসেবে প্রেরিত হয়েছি, এবং তিনি(আল্লাহ) শিক্ষা দেয়ার জন্য বই হিসেবে কুরআন প্রেরন করেছেন”। তাই, স্যাটানিক(ফ্রিমেসনের) বা সেকুলার (ধর্মনিরপেক্ষ) শিক্ষার কারুকুলাম নয়, বরং নবুয়াতের কারিকুলামের ভিত্তিতে একজন সাধু ও মহৎ লোকের মাধ্যমে পুরো পৃথিবীই চেঞ্জ হতে পারে।
http://topinfopost.com/2013/
http://www.bd-pratidin.com/2013/10/12/21284
Very Interesting News ! মালালার ধর্ম খ্রিস্টান, জন্ম হাঙ্গেরীতে!
বহুল আলোচিত পাকিস্তানি কিশোরী মালালা ইউসুফজাই আসলে পাকিস্তানিই নয়। তার জন্ম হাঙ্গেরিতে। মালালা নামটিও নকল, তার আসল নাম জেইন।এমনকি তার বর্তমান বাবা-মা'ও আসল নয়। তার প্রকৃত বাবা-মা দুজনই খ্রিস্টান মিশনারিজের সদস্য। তারা মালালাকে বর্তমান পাকিস্তানি পিতা-মাতাকে উপহার হিসেবে দিয়ে যান। তবে এজন্য তাদেরকেও খ্রিস্টান ধর্ম গ্রহণ করতে হয়। আর তাকে গুলি করার ঘটনাটিও ছিল গোয়েন্দাদের সাজানো।
পাকিস্তানের ডন পত্রিকার একটি বিশেষ অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। গত এপ্রিল মাসে পাকিস্তানের প্রভাবশালী এই দৈনিক পত্রিকাটি একটি চৌকস সাংবাদিক গ্রুপ সোয়াত উপত্যকায় পাঠায়। দীর্ঘ পাঁচ মাসের অনুসন্ধানের পর তথ্য-প্রমাণসহ তারা যে প্রতিবেদন পেশ করেছে, তাতে সকলের চোখ চড়ক গাছ হওয়ার মতো।
২০১২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে সোয়াত উপত্যকায় মালালা নামের ১৫ বছরের একটি স্কুল পড়ুয়া মেয়ে তালেবান যোদ্ধাদের হামলায় মাথায় ও মুখে গুলি খেয়েছে বলে খবর পাওয়া যায়। পরে এটি ব্যাপকভাবে পাকিস্তানের স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রচার পায়। পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যের ডাক্তারদের অক্লান্ত পরিশ্রম এবং মাথা-মুখে একাধিক অস্ত্রোপচারের পর মালালা সুস্থ হয়ে উঠে।
এখন মালালা বাস করছে যুক্তরাজ্যে এবং সে পাকিস্তানে নারী শিক্ষার অকুতোভয়ে কাজ করে যাওয়ার আত্মপ্রত্যয়ও ব্যক্ত করেছেন। বিশেষ করে যেসব স্থানে তালেবানরা মেয়েদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিচ্ছে, সেই স্থানেই তিনি তার এই সংগ্রাম চালিয়ে যাবেন। কিন্তু মালালা কাহিনীর এটা একটা দিক মাত্র।
ডনের অনুসন্ধানী টিমটি জানিয়েছে, মালালা পাকিস্তানি নয় এবং তার জন্মও পাকিস্তানে নয়। তিনি পশতুভাষীও নন। সোয়াত এলাকার খ্যাতিমান ডাক্তার ইমতিয়াজ আলী খানজাই জানিয়েছেন, তার কাছে মালালার ডিএনএ রিপোর্ট রয়েছে যা প্রমাণ করে মালালা পশতুভাষী নয়। ইমতিয়াজ আলী খানজাই সোয়াত উপত্যকায় একটি প্রাইভেট ক্লিনিক পরিচালনা করেন। তিনি ডিএনএ রিপোর্টের একটি কপি সাংবাদিকদের কাছে দিয়ে বলেন, মালালা ছোটবেলায় তার ক্লিনিকে কান ব্যথার চিকিৎসার জন্য এসেছিলেন।
তিনি বলেন,‘গত বছর মালালা আহত হওয়ার পর হঠাৎ আমার মনে পড়লো তার কানের কিছু খইল আমার শিশিতে রাখা আছে। রোগীদের কানের খইল সংগ্রহে রাখা আমার একটা শখ।’
তিনি দাবি করে বলেন, ‘ডিএনএ অনুসারে মালালা একজন ককেসিয়ান। সম্ভবত তারা এসেছেন পোল্যান্ড থেকে। ডাক্তার যখন মালালার পরিচয়সূত্রটি তার বাবাকে বলেন, তখন তিনি থতমত খেয়ে যান এবং তোতলাতে থাকেন।
ইমতিয়াজ আলী খানজাই বলেন, ‘মালালার পিতা তখন ডাক্তারকে অনুরোধ করেন তিনি যা জেনেছেন সেটা যেন কাউকে না বলেন। আমি তাকে কাউকে বলব না, কিন্তু তাকে আমার কাছে আসল ঘটনা বলতে হবে।’
মালালার পিতা জানান, মালালার আসল নাম জেইন। তার জন্ম হাঙ্গেরিতে ১৯৯৭ সালে। তার আসল বাবামা দুজনই খ্রিষ্টিয়ান মিশনারিজ। তারা ২০০২ সালে সোয়াত এলাকায় আসেন। তারা মালালাকে বর্তমান পিতামাতাকে উপহার হিসেবে দেন। বিনিময়ে গোপনে তাদেরকেও খ্রিস্টান ধর্ম গ্রহণ করতে হয়।
তিনি বলেন, 'তিনি এখন বুঝতে পেরেছেন মালালাকে আসলে একটি পাকিস্তান বিরোধী উপকরণ হিসেবে সোয়াতে রেখে যাওয়া হয়েছে।'
তিনি আরো বলেন, ‘তিনি প্রমাণ করে দিতে পারবেন যে তরুণ মালালাকে গুলি করেছে সে পশতুভাষী নয়। সেই তরুণেরও কানের খইল তার কাছে আছে।’
সেই তরুণের ডিএনএ’র কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘তরুণটি সম্ভবত ইতালির অধিবাসী। তারপর তিনি একটি মাইক্রোস্কোপের মাধ্যমে সাংবাদিকদের তরুণটির কানের খইল দেখান। ডাক্তার আরো বলেন, ‘তিনি যা জেনেছেন তা সঙ্গে সঙ্গে ই-মেইলের মাধ্যমে তিনি পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইকে জানিয়েছেন।’
এর কয়েকদিন পরই পুলিশ ক্লিনিকে হানা দেয়। তিনি তখন ছিলেন সৌদি আরব। সেখানে গিয়েছিলেন সৌদি রাজ পরিবারের কয়েকজনের কানের খইল যোগাড় করার জন্য। পুলিশ কানের খইলগুলো কোথায় রাখা হয়েছে তা জানার জন্য তার ক্লিনিকের কর্মচারীদের সঙ্গে খুবই খারাপ ব্যবহার করে।
এ বছরের জুন মাসে একজন আইএসআই সদস্য তার ক্লিনিকে আসেন এবং পুলিশের হামলা ও দুর্ব্যবহারের জন্য ক্ষমা চান। আইএসআই সদস্য তাকে বলেছেন, ‘মালালার আসল পরিচয় সম্পর্কে আইএসআই ওয়াকিবহাল আছে।’
ওই আইএসআই কর্মকর্তার ফোন নাম্বারও তিনি সাংবাদিকদের সরবরাহ করেন। ওই কর্মকর্তা কিছুতেই সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলবেন না। পরে তিনি ‘মাস্টার এক্স’ ছদ্মনামে কথা বলতে রাজি হন।
http://stream.aljazeera.com/story/201310120013-0023107
বহুল আলোচিত পাকিস্তানি কিশোরী মালালা ইউসুফজাই আসলে পাকিস্তানিই নয়। তার জন্ম হাঙ্গেরিতে। মালালা নামটিও নকল, তার আসল নাম জেইন।এমনকি তার বর্তমান বাবা-মা'ও আসল নয়। তার প্রকৃত বাবা-মা দুজনই খ্রিস্টান মিশনারিজের সদস্য। তারা মালালাকে বর্তমান পাকিস্তানি পিতা-মাতাকে উপহার হিসেবে দিয়ে যান। তবে এজন্য তাদেরকেও খ্রিস্টান ধর্ম গ্রহণ করতে হয়। আর তাকে গুলি করার ঘটনাটিও ছিল গোয়েন্দাদের সাজানো।
পাকিস্তানের ডন পত্রিকার একটি বিশেষ অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। গত এপ্রিল মাসে পাকিস্তানের প্রভাবশালী এই দৈনিক পত্রিকাটি একটি চৌকস সাংবাদিক গ্রুপ সোয়াত উপত্যকায় পাঠায়। দীর্ঘ পাঁচ মাসের অনুসন্ধানের পর তথ্য-প্রমাণসহ তারা যে প্রতিবেদন পেশ করেছে, তাতে সকলের চোখ চড়ক গাছ হওয়ার মতো।
২০১২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে সোয়াত উপত্যকায় মালালা নামের ১৫ বছরের একটি স্কুল পড়ুয়া মেয়ে তালেবান যোদ্ধাদের হামলায় মাথায় ও মুখে গুলি খেয়েছে বলে খবর পাওয়া যায়। পরে এটি ব্যাপকভাবে পাকিস্তানের স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রচার পায়। পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যের ডাক্তারদের অক্লান্ত পরিশ্রম এবং মাথা-মুখে একাধিক অস্ত্রোপচারের পর মালালা সুস্থ হয়ে উঠে।
এখন মালালা বাস করছে যুক্তরাজ্যে এবং সে পাকিস্তানে নারী শিক্ষার অকুতোভয়ে কাজ করে যাওয়ার আত্মপ্রত্যয়ও ব্যক্ত করেছেন। বিশেষ করে যেসব স্থানে তালেবানরা মেয়েদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিচ্ছে, সেই স্থানেই তিনি তার এই সংগ্রাম চালিয়ে যাবেন। কিন্তু মালালা কাহিনীর এটা একটা দিক মাত্র।
ডনের অনুসন্ধানী টিমটি জানিয়েছে, মালালা পাকিস্তানি নয় এবং তার জন্মও পাকিস্তানে নয়। তিনি পশতুভাষীও নন। সোয়াত এলাকার খ্যাতিমান ডাক্তার ইমতিয়াজ আলী খানজাই জানিয়েছেন, তার কাছে মালালার ডিএনএ রিপোর্ট রয়েছে যা প্রমাণ করে মালালা পশতুভাষী নয়। ইমতিয়াজ আলী খানজাই সোয়াত উপত্যকায় একটি প্রাইভেট ক্লিনিক পরিচালনা করেন। তিনি ডিএনএ রিপোর্টের একটি কপি সাংবাদিকদের কাছে দিয়ে বলেন, মালালা ছোটবেলায় তার ক্লিনিকে কান ব্যথার চিকিৎসার জন্য এসেছিলেন।
তিনি বলেন,‘গত বছর মালালা আহত হওয়ার পর হঠাৎ আমার মনে পড়লো তার কানের কিছু খইল আমার শিশিতে রাখা আছে। রোগীদের কানের খইল সংগ্রহে রাখা আমার একটা শখ।’
তিনি দাবি করে বলেন, ‘ডিএনএ অনুসারে মালালা একজন ককেসিয়ান। সম্ভবত তারা এসেছেন পোল্যান্ড থেকে। ডাক্তার যখন মালালার পরিচয়সূত্রটি তার বাবাকে বলেন, তখন তিনি থতমত খেয়ে যান এবং তোতলাতে থাকেন।
ইমতিয়াজ আলী খানজাই বলেন, ‘মালালার পিতা তখন ডাক্তারকে অনুরোধ করেন তিনি যা জেনেছেন সেটা যেন কাউকে না বলেন। আমি তাকে কাউকে বলব না, কিন্তু তাকে আমার কাছে আসল ঘটনা বলতে হবে।’
মালালার পিতা জানান, মালালার আসল নাম জেইন। তার জন্ম হাঙ্গেরিতে ১৯৯৭ সালে। তার আসল বাবামা দুজনই খ্রিষ্টিয়ান মিশনারিজ। তারা ২০০২ সালে সোয়াত এলাকায় আসেন। তারা মালালাকে বর্তমান পিতামাতাকে উপহার হিসেবে দেন। বিনিময়ে গোপনে তাদেরকেও খ্রিস্টান ধর্ম গ্রহণ করতে হয়।
তিনি বলেন, 'তিনি এখন বুঝতে পেরেছেন মালালাকে আসলে একটি পাকিস্তান বিরোধী উপকরণ হিসেবে সোয়াতে রেখে যাওয়া হয়েছে।'
তিনি আরো বলেন, ‘তিনি প্রমাণ করে দিতে পারবেন যে তরুণ মালালাকে গুলি করেছে সে পশতুভাষী নয়। সেই তরুণেরও কানের খইল তার কাছে আছে।’
সেই তরুণের ডিএনএ’র কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘তরুণটি সম্ভবত ইতালির অধিবাসী। তারপর তিনি একটি মাইক্রোস্কোপের মাধ্যমে সাংবাদিকদের তরুণটির কানের খইল দেখান। ডাক্তার আরো বলেন, ‘তিনি যা জেনেছেন তা সঙ্গে সঙ্গে ই-মেইলের মাধ্যমে তিনি পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইকে জানিয়েছেন।’
এর কয়েকদিন পরই পুলিশ ক্লিনিকে হানা দেয়। তিনি তখন ছিলেন সৌদি আরব। সেখানে গিয়েছিলেন সৌদি রাজ পরিবারের কয়েকজনের কানের খইল যোগাড় করার জন্য। পুলিশ কানের খইলগুলো কোথায় রাখা হয়েছে তা জানার জন্য তার ক্লিনিকের কর্মচারীদের সঙ্গে খুবই খারাপ ব্যবহার করে।
এ বছরের জুন মাসে একজন আইএসআই সদস্য তার ক্লিনিকে আসেন এবং পুলিশের হামলা ও দুর্ব্যবহারের জন্য ক্ষমা চান। আইএসআই সদস্য তাকে বলেছেন, ‘মালালার আসল পরিচয় সম্পর্কে আইএসআই ওয়াকিবহাল আছে।’
ওই আইএসআই কর্মকর্তার ফোন নাম্বারও তিনি সাংবাদিকদের সরবরাহ করেন। ওই কর্মকর্তা কিছুতেই সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলবেন না। পরে তিনি ‘মাস্টার এক্স’ ছদ্মনামে কথা বলতে রাজি হন।
http://stream.aljazeera.com/story/201310120013-0023107

http://dawn.com/news/1048776
http://newspage24.com/2013/article/7010#.Ulg0YtKl4k1

http://71bangla.net/%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%B8%E0%A6%B2-%E0%A6%B0%E0%A7%82%E0%A6%AA-%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AE-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%99%E0%A7%8D/
http://71bangla.net/%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%B8%E0%A6%B2-%E0%A6%B0%E0%A7%82%E0%A6%AA-%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AE-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%99%E0%A7%8D/
