রবিবার, ১৩ অক্টোবর, ২০১৩

মালালার ঘটনা পুরোটাই নাটক, জন্ম হাঙ্গেরিতে ধর্ম খ্রিস্টান!

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
ফ্রম আদনান রাশিদ টু মালালা ইউসুফজায়
তাদের প্রতি সালাম যারা সরল পথে চলে


অবশেষে মালালা নাটকের রহস্য ফাঁসঃ..!

মালালার ঘটনা পুরোটাই নাটক, জন্ম হাঙ্গেরিতে ধর্ম খ্রিস্টান!




মিস মালালা ইউসুফজায়
আমি এই প্রথমবারের মতো আমার ব্যাক্তিগত আখাংখায় তোমার উদ্দেশে লিখছি, যা তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান বা অন্য কোন জিহাদি গ্রুপ বা দলের মতামত বা পলিসি নয়।
আমি তোমার সম্পর্কে প্রথমবারের মতো জানি বিবিসি উর্দু সার্ভিস এর মাধ্যমে যখন আমি বান্নু জেলখানায় ছিলাম। আমি তখনই তোমাকে কিছু নসিয়ত দিয়ে লিখতে চেয়েছিলাম যেন তালিবান বিরোধী কাজসমুহ থেকে তুমি বিরত থাক। কিন্তু আমি তোমার ঠিকানা খুঁজে পাচ্ছিলাম না এবং ভাবতেই থাকলাম কিভাবে(রিয়েল না ছদ্দ নামে) তোমাকে এপ্রচ(approach) করা যায়।আমরা একই ইউসুফজায় গোত্রের, তাই তোমার সাথে আমার সকল আবেগ একজন ভাইয়ের মত। এরই মধ্যে জেলখানা ভেঙ্গে ফেলা হয় এবং আমাকে লুকিয়ে থাকতে হয়। যেদিন তুমি আক্রমণের শিকার হলে সেদিনটি ছিল আমার জন্য অতিশয় বেদনার এবং কাম্য ছিল এমনটি না হবার বা হবার আগেই যদি তোমাকে চিঠিটা লিখতে পারতাম।
তালিবানরা তোমাকে আক্রমন করেছে। এটা কি ইসলামের দৃষ্টিতে সঠিক না ভুল বা মৃত্যুদণ্ড তোমার প্রাপ্য কি না; আমি এখন এই আরগুমেন্টে যাব না, বরং চল আমরা তা আল্লাহ্‌র উপর ছেড়ে দেয়, নিশ্চয় তিনি শ্রেষ্ঠ বিচারক। এখানে আমি শুধুই তোমাকে কিছু নসিহা দিতে চাই যদিও আমি অলরেডি দেরি করে ফেলেছি , আরও ভাল হত যদি আমি আমার জেলখানায় থাকাকালীন সময়ে তোমাকে চিঠিটা লিখতাম। প্রথমত, মনে রেখ তালিবান তোমাকে কখনই আক্রমন করেনি কারন তুমি স্কুলে যাও বা তুমি পড়ালেখাকে ভালবাস এবং আরও মনে রেখ তালিবান অথবা মুজাহিদিন পড়ালেখার বিরোধী নয়, হউক তা কোন পুরুষ, মহিলা বা বালিকার জন্য। তালিবানরা বিশ্বাস করে সোয়াতে ইসলামিক সিস্টেম প্রথিস্থা করতে তাদের অদ্ধাবসায়ের ক্ষতি করতে তুমি একটি জোরাল ক্যাম্পেইন চালিয়ে আসছিলে এবং তোমার লেখা ছিল উস্কানিমূলক।

তুমি গতকাল তোমার বক্তৃতায় বললে তলওয়ারের থেকে কলমের জোর বেশী। তার মানে তালিবানরা তোমাকে আক্রমন করেছে তোমার তলওয়ারের জন্য, কোন বই বা স্কুলের জন্য নয়। সোয়াতে হাজার হাজার মেয়েরা স্কুলে যায় তালিবান অভ্যুত্থানের আগে ও পরে। তবে, আমাকে একটু বুঝাতে পার যে কেন একমাত্র তুমিই তাদের আক্রমণের লিস্টে???
এখন দ্বিতীয় পয়েন্ট তোমাকে বুঝায় যে কেন তালিবানরা স্কুল ভুস্মিভুত করছে? এই প্রশ্নের উত্তর হল তালিবানরা একাকী KPK or FATA তে স্কুলগুলি উড়াই দিচ্ছে না, বরং পাকিস্তান আর্মি এবং Frontier Constabulary সমানভাবে জড়িত এই ঘটনার সাথে। আর এর কারন দুই গ্রুপের জন্যই একই, আর তা হল যখন যে সময় তাদের দুই পার্টির(তালিবান বা পাকিস্তান আর্মির)কেউ একজন স্কুলকে দখল করে; তারা এটি লুকানোর জায়গা, ট্রানজিট ক্যাম্প হিসেবে ব্যাবহার করে।
২০০৪ সালে আমি সোয়াতে ছিলাম, সুফি মুহাম্মাদের প্রথম বিপ্লবের প্রয়াস ব্যর্থ হওয়ার কারণগুলো নিরীক্ষা করছিলাম। আমি জানতে পারলাম FC ঘাটি করেছিল সোয়াতের tehsil Matta তে এবং তারা স্কুলগুলোকে লুকানোর জায়গা আর ট্রানজিট হিসেবে ব্যাবহার করছিল। এখন বল অভিযোগটা কাদের বিরুদ্ধে হওয়া উচিত।
পাকিস্তান আর্মি ও FC ডজন খানেক স্কুল কলেজকে তাদের ব্যারাক হিসেবে FATA তে। তুমি এগুলো জানতে চাইলে খুব সহজেই তা সম্ভব। আর তালিবানের পলিসি হল যখন কোন কিছু মারাত্মক ভয়ের হয়ে দাড়াই তাকে ধ্বংস করা। তারা যদি স্কুলকে কৌশলগতভাবে ব্যাবহার না করে, তবে এগুলো ধ্বংস করা কনভাবেই তালিবানের কাজ না, হয়ত প্রশাসনের কোন কুলাঙ্গার স্কুলের নাম করে নিজদের ব্যাঙ্কে টাকা ভরতে এ কাজ করতে পারে।

এটা ছিল অতিশয় বেদনার এবং আশা করি যদি তা কখনই না হত

এখন আস মুল পয়েন্টে যা হল “শিক্ষা/পড়ালেখা” এটা দেখতে অবাক লাগে যে তুমি শিক্ষা শিক্ষা করে চিৎকার করছ। তুমি ও UNO এমন ভাব দেখাচ্ছ যেন তুমি আক্রমণের শিকার হয়েছ এই শিক্ষার কারনে; যদিও এটা কারন ছিলনা। সত্যবাদী হও, শিক্ষা নয়, বরং ইস্যুটা ছিল তোমার প্রপাগান্ডা এবং যা তুমি এখন করছ, তুমি তোমার মুখ অন্যদের আদেশে চালাচ্ছ। তোমার অবশ্যই জানা থাকা উচিত যদি তলওয়ারের থেকে কলমের শক্তি বেশী হয়, তবে ‘মুখ’ আরও বেশী ধারাল এবং তলওয়ারের আঘাত নিরাময় করা গেলেও ‘মুখ’ দিয়ে করা আঘাত কখনই নিরাময়যোগ্য নয়। আর যুদ্ধে অস্ত্রের থেকে মুখ বেশী ধ্বংসাত্মক।

আমি তোমাকে একটু মনে করিয়ে দিতে চাই ব্রিটিশ আগ্রাসনের আগে যে ভারতীয় উপমহাদেশ ছিল উচ্চ শিক্ষত এবং এঁর প্রায় প্রত্যেক নাগরিক লিখতে পড়তে পারত। লোকাল মানুষ ব্রিটিশদের আরবি, হিন্দি, উর্দু ও পার্সিয়ান শিখাত। মুসলিম সম্রাটরা বিশাল অংকের টাকা খরচ করতো শিক্ষার পিছনে এবং প্রায় প্রতিটি মসজিদই স্কুল হিসেবে কাজ করতো। মুসলিম ভারত কৃষিখাতে, সিল্কে, জুট, জাহাজ ইন্ডাস্ট্রি ও টেস্টাইলে ছিল উন্নত ছিল। ছিলনা কোন দারিদ্রতা, কোন ক্রাসিস, জাতিগত বা ধর্মীয় কোন দাঙ্গা। কারণটা ছিল এই শিক্ষা ব্যাবস্থাটার ভিত্তি ছিল নোবেল/মহৎ চিন্তাভাবনা ও কারিকুলামের উপর।

আমি তোমার মনোযোগ আশা করছি স্যার T.B Macaulay একটি লেখাতে যেটা তিনি ১৮৩৫ সালের ২ রা ফেব্রুয়ারি ব্রিটিশ পারলামেন্টকে লিখেছিলেন যে কিভাবে উপমহাদেশীয় মুসলিম শিক্ষা ব্যাবস্থার প্রতিস্থাপন সম্ভব। তিনি বলেন, “ আমাদের অবশ্যই শেষ পর্যন্ত চেষ্টা করে যেতে হবে ‘একটি শ্রেণী’ তৈরি করার, যারা আমাদের ও মিলিয়ন ভারতীয় যাদের আমরা শাসন করি তাদের মাঝে একটি ‘মাধ্যম’ হিসেবে কাজ করবে, যেই শ্রেণী রক্তে ও বর্ণে ভারতীও হবে কিন্তু মরালিটি, স্বাদে ও মতামতের ক্ষেত্রে ইংরেজ হবে”। এই সেই তথাকথিত এডুকেসান সিস্টেমের প্লান ও মিসন যার জন্য তুমি মৃত্যুর জন্যও প্রস্তুত আছ, আর ে কাওরনেই UNO তোমাকে তাদের অফিসে নিয়েছে যাতে করে আরও প্রচুর পরিমানে রক্তে এশিয়ান, কিন্তু স্বাদে ইংরেজ তৈরি করতে পারে, যেন আরও রক্তে আফ্রিকান কিন্তু মতামতের ক্ষেত্রে ইংরেজ বানাতে পারে। এই কি সেই তথাকথিত শিক্ষাব্যাবস্থা নয়, যা ওবামার মতো হাজার মানুষের খুনিকে তোমার আদর্শ বানাই?

কেন তারা সমগ্র মানবজাতিকে ইংরেজ বানাতে চাই? কেননা, ইংরেজরা ইহুদীদের কট্টর সাপোর্টার এবং তাদের দাস। তুমি কি ভারতে ইংরেজি শিক্ষার ভিত্তিস্থাপনকারী ও সিম্বল স্যার সৈয়দ আহমেদ খানকে চিন? সে ছিল একজন ফ্রিমেসন(শয়তানের পূজাকারী)।

তুমি বলো যে একজন শিক্ষক, একটি পেন ও একটি বই পুরা বিশ্বকেই চেঞ্জ করে দিতে পারে। হ্যা আমিও একমত তোমার সাথে; কিন্তু কোন শিক্ষক? কোন পেন? আর কোন বই? এটা তোমার স্পেসিফাই করে বলতে হবে। হযরত মুহাম্মদ সাঃ বলেছেন, “আমি একজন শিক্ষক হিসেবে প্রেরিত হয়েছি, এবং তিনি(আল্লাহ) শিক্ষা দেয়ার জন্য বই হিসেবে কুরআন প্রেরন করেছেন”। তাই, স্যাটানিক(ফ্রিমেসনের) বা সেকুলার (ধর্মনিরপেক্ষ) শিক্ষার কারুকুলাম নয়, বরং নবুয়াতের কারিকুলামের ভিত্তিতে একজন সাধু ও মহৎ লোকের মাধ্যমে পুরো পৃথিবীই চেঞ্জ হতে পারে।

http://topinfopost.com/2013/07/22/the-talibans-letter-to-malala-yousafzai


 http://www.bd-pratidin.com/2013/10/12/21284



অবশেষে মালালা নাটকের রহস্য ফাঁসঃ
মালালা পাকিস্তানি নয়। তার নাম জেইন,ধর্ম খ্রিস্টান, জন্ম হাঙ্গেরীতে!
যে গুলি করলো সেও তালেবান নয়,বিদেশী গুপ্তচর!
ইহুদী খৃষ্টানদের পরিচিলিত জীবন্ত নাটকে (Life Drama Show)
===============================
কুরআন শরীফে আল্লাহর বানীঃ
“আমি আল্লাহ খেল তামাশা করি না এবং মিথ্যাকে স্থায়ী ও প্রতিষ্ঠিত হতে দেই না (পূর্ববর্তী আয়াতগুলিতে), বরং আমি মিথ্যার উপর সত্যের আঘাত হানি যা মিথ্যার মাথা গুঁড়িয়ে দেয় এবং দেখতে দেখতে তা নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। আর তোমাদের জন্য ধ্বংস,যেসব কথা (ইসলামের বিরুদ্ধে মিথ্য প্রচার, গান,কবিতা নাটক ইত্যাদি) তোমরা তৈরি করো সেগুলোর কারনে”। (সূরা আল আম্বিয়াঃ ১৮)

“আর ঘোষণা করে দাও,সত্য এসে গেছে এবং মিথ্যা বিলুপ্ত হয়ে গেছে,মিথ্যার তো অবশ্যই বিলুপ্ত হবারই কথা”। (সূরা বনী ইসরাঈলঃ ৮১)

আজ একটি চাঞ্চল্যর খবর দেখে কুরআন শরীফে আল্লাহর উপরোক্ত বানী মনে পড়ে গেল। কুরআন শরীফে আল্লাহর উপরোক্ত বানী আজও চিরসত্যে পরিনত হয়েছে ভেবে হৃদয় ও মন খুব প্রশান্তিতে ভরে গেল।
খবরটি হল-বহুল আলোচিত তথা কথিত পাকিস্তানি কিশোরী মালালা ইউসুফজাই আসলে পাকিস্তানিই নয়। তার জন্ম হাঙ্গেরিতে। মালালা নামটিও নকল, তার আসল নাম জেইন।এমনকি তার বর্তমান বাবা-মাও আসল নয়। তার প্রকৃত বাবা-মা দুজনই খ্রিস্টান মিশনারিজের সদস্য। তারা মালালাকে বর্তমান পাকিস্তানি পিতা-মাতাকে উপহার হিসেবে দিয়ে যান। তবে এজন্য তাদেরকেও খ্রিস্টান ধর্ম গ্রহণ করতে হয়। আর তাকে গুলি করার ঘটনাটিও ছিল বিদেশী গোয়েন্দাদের সাজানো। যারা গুলি করেছে তারাও তালেবান মুজাহিদ নয়, তারা ছিল ভিনদেশী ইতালীয় নাগরিক।

ইহুদী খৃষ্টানদের পরিচিলিত আন্তর্জাতিক মিডিয়ার প্রচারে ও তাদের পরিচালিত জীবন্ত নাটকে (Life Drama Show)এতদিন বিশ্ববাসী দেখে এসেছে নারীশিক্ষার পক্ষে কলাম ধরায় পাকিস্তানের সোয়াত উপত্যকায় গত বছর ২০১২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে সোয়াত উপত্যকায় মালালা নামের ১৫ বছরের একটি স্কুল পড়ুয়া মেয়ে তালেবান যোদ্ধাদের হামলায় মাথায় ও মুখে গুলি খেয়েছে বলে খবর পাওয়া যায়। ৯ অক্টোবর মালালা নামের ১৫ বছরের একটি স্কুল পড়ুয়া মেয়ের উপর হামলা চালায় তালেবান জঙ্গীরা (?),গুলি লাগে মুখ আর মাথায়, আহত হন সঙ্গে থাকা আরো তিনজন। এরপর গণমাধ্যমের কল্যাণে'স্কুলপড়ুয়া মালালা মুহূর্তের ব্যবধানে হয়ে যান বিশ্বের সবচেয়ে আলোচিত ব্যক্তি। প্রথমে পাকিস্তান এবং পরে ইংল্যান্ডে কয়েক মাসের চিকিৎসায় সুস্থ হয়ে ওঠেন তিনি। এত কিছুর পরও ১৫ বছরের মালালা নারীশিক্ষার পক্ষে (আল্লাহর ফরজ হুকুম জিহাদের বিরুদ্ধে এবং নারী পুরুষের অবাধ মেলামেশার পক্ষে ইসলাম বিরোধী নারীশিক্ষার পক্ষে অনড় থাকার ঘোষণা দেন। জানিয়ে দেন, হাজার বাধা টপকাতে রাজি। জঙ্গি হামলার ভয়ে (?)মালালা ব্রিটেনেই থাকছেন। এবার নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য তাঁর নামটাই ছিল প্রত্যাশার শীর্ষে।

পুরস্কার না পাওয়ার আলোচনা শেষ হতে না হতেই ‘বোমা' ফাটিয়েছে পাকিস্তানের শীর্ষস্থানীয় সংবাদপত্র ডন। পাকিস্তানের ডন পত্রিকার একটি বিশেষ অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। গত এপ্রিল মাসে পাকিস্তানের প্রভাবশালী এই দৈনিক পত্রিকাটি একটি চৌকস সাংবাদিক গ্রুপ সোয়াত উপত্যকায় পাঠায়। দীর্ঘ পাঁচ মাসের অনুসন্ধানের পর তথ্য-প্রমাণসহ তারা যে প্রতিবেদন পেশ করেছে, তাতে সকলের চোখ চড়ক গাছ হওয়ার মতো।

মালালা আদৌ পাকিস্তানি নয়, মালালা পাকিস্তানের সোয়াতে জন্মগ্রহণ করেনি, এমনকি তিনি পশতুভাষীও নন। সোয়াতের একটি বেসরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক ডাক্তার ইমতিয়াজ আলী খানজাই ডনের প্রতিবেদককে জানিয়েছেন, তার কাছে ডিএনএ পরীক্ষার ফল আছে যা প্রমাণ করে মালালা পশতুন না।একটি রিপোর্ট দেখিয়ে তিনি জানান, তিনি মালালার ডিএনএ সংগ্রহ করেছেন। সে সময় মালালা শিশু ছিল। তখন কানের সমস্যা নিয়ে তার কাছে এসেছিল।

ডাক্তার ইমতিয়াজ আলী খানজাই ডিএনএ পরীক্ষায় দেখতে পান, মালালা আসলে ককেশীয় এবং সম্ভবত পোল্যান্ড থেকে এসেছে। এরপর তিনি মালালার বাবাকে ডেকে পাঠান এবং বলেন, আমি মালালার আসল পরিচয় জানি। এ কথা শুনে মালালার বাবা জিয়াউদ্দিন ইউসুফজাই ঘাবড়ে যান। তিনি বলেন, এ কথা আমি যেন জনসম্মুখে না বলি। আমি তাকে বলি, আপনি যদি সত্য ঘটনা খুলে বলেন তবে কাউকে বলব না।

মালালার বাবা ডাক্তারকে বলেন, মালালার প্রকৃত নাম জেইন। ১৯৯৭ সালে সে হাঙ্গেরিতে জন্ম গ্রহন করেছে। তার প্রকৃত বাবা-মা খ্রিষ্টান মিশনারি ছিল যারা ২০০২ সালে সোয়াতে বেড়াতে এসেছিল এবং মালালাকে উপহার হিসেবে তার কাছে রেখে যায়। ওই সময় তারা গোপনে খ্রিষ্টান ধর্ম গ্রহণ করেন।

এ সময় ডনের প্রতিবেদক ডাক্তার ইমতিয়াজকে জিজ্ঞাসা করেন, কেন তিনি মালালার আসল পরিচয় এখন প্রকাশ করছেন? তখন তিনি বলেন, “আমি মনে করি মালালাকে পাকিস্তানের বিপক্ষে দাঁড়াতে পরিকল্পিতভাবে পাঠানো হয়েছিল। আর এখানে নিজের ঈমান রক্ষা এবং মুসলমানদের স্বার্থ জড়িত। আন্তরজাতিক চক্রের ষড়যন্ত্রে একটি মিথ্যা নাটক সাজিয়ে মুসলমানদেরকে হেয় প্রতিপন্ন করার কারণে এবং পাকিস্তানকে ধংসের হাত থেকে বাচাঁবার জন্যই মালালার আসল পরিচয় তুলে ধরলাম।”

গুলিবর্ষণকারীর ডিএনএ পরীক্ষা করে ডাঃ ইমতিয়াজ আলী খানজাই আবিষ্কার করেন, সে ইতালি থেকে এসেছে। তিনি আরো বলেন, ‘তিনি প্রমাণ করে দিতে পারবেন যে তরুণ মালালাকে গুলি করেছে সে পশতুভাষী নয়। সেই তরুণেরও কানের খইল তার কাছে আছে।’ সেই তরুণের ডিএনএ’র কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন,‘তরুণটি সম্ভবত ইতালির অধিবাসী। তারপর তিনি একটি মাইক্রোস্কোপের মাধ্যমে সাংবাদিকদের তরুণটির কানের খইল দেখান।

ডাক্তার আরো বলেন, আমি ২০১২ সালের জানুয়ারিতে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইয়ের কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে এ বিষয়গুলো জানিয়ে ইমেইল করি। এর কয়েক দিন পর তার ক্লিনিকে পুলিশ অভিযান চালায়। তার কয়েকজন কর্মচারী সে সময় পুলিশের মাধ্যমে নির্যাতিত হয়েছিল।

তিনি জানান, এ বছরের জুন মাসে আইএসআইয়ের একজন তরুণ অফিসারের কাছে যান। ওই অফিসার অভিযানের জন্য তার কাছে ক্ষমা চান। আইএসআই অফিসার ডাক্তারকে বলেন, আইএসআই মালালার আসল পরিচয়ের ব্যাপারে সতর্ক আছে। অনেক অনুরোধের পর ডাক্তার ওই আইএসআই অফিসারের মোবাইল ফোনের নাম্বার দিয়ে দেন। এরপর সেই ডাক্তার আইএসআই অফিসারের নম্বর দেন ডনের প্রতিবেদককে। ডনের প্রতিবেদকের সাথে অফিসার দেখা করেন সোয়াতের একটি পরিত্যক্ত স্কুলে।

আইএসআইর সেই অফিসার ডনের প্রতিবেদককে জানান, মালালার ওপর হামলার ঘটনা পাতানো হয়েছিল গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে। উত্তর ওয়াজিরিস্তানে আক্রমণে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর পথ পরিষ্কার করতে পুরো ঘটনাটি পাকিস্তান ও মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে সাজানো হয়েছিল।

অফিসার জানান, “এটা একটা নাটক। পাকিস্তান সেনাবাহিনী উত্তর ওয়াজিরিস্তান আক্রমণের একটি অজুহাত দাঁড় করাতে এটি মঞ্চস্থ হয়েছিল।"

তার দেওয়া তথ্য-

১ অক্টোবর ১৯৯৭ : হাঙ্গেরির বুদাপেস্টে হাঙ্গেরিয়ান বাবা-মায়ের ঘরে মালালার জন্ম । তার নাম রাখা হয় জেইন।

৪ অক্টোবর, ২০০২: তার বাবা-মা সিআইয়ের সাথে যুক্ত হন। তাদের একটি সংক্ষিপ্ত সামরিক প্রশিক্ষণ দেয়া হয়।

৭ অক্টোবর, ২০০৩: তারা পাকিস্তানে ঢোকেন এবং সোয়াতে একটি এনজিওতে কাজ শুরু করেন। সে সময় তারা আইএসআইয়ের একজন লো-লেভেল এজেন্টদের সাথে যোগাযোগ করেন। তিনি পুরো পরিবারকে খ্রিস্টান ধর্মে দীক্ষীত করেন। তারা জেইনকে তার কাছে রেখে যান। পরবর্তীতে ওই এজেন্ট জেইনের নাম পরিবর্তন করে রাখেন মালালা।

৩০ অক্টোবর, ২০০৭ : মালালা ব্লগে লেখা শুরু করেন এবং সেখানে তিনি সোয়াতের জঙ্গদিরে অস্ত্রবাজি থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানায়।

২১ অক্টোবর, ২০১১: জঙ্গিরা তাকে আনুরোধ করে এ ধরনের ব্লগ না লিখতে।

১ অক্টোবর, ২০১২ : সিআইএ নিউইয়র্কে বসবাসকারী ইতালিয় বংশোদ্ভুত রবার্ট নামের এক ব্যক্তিকে নিয়োগ করে। তাকে গুলি চালানোর ওপর স্বল্পমেয়াদে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

৭ অক্টোবর, ২০১২: সিআইএ মালালার ওপর মিথ্যা গুলিবর্ষণের জন্য আইএসআইয়ের সাথে পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করে এবং বিষয়টি মালালা ও তার পরিবারকে জানানো হয়।

১১ অক্টোবর, ২০১২ : রর্বটট সোয়াতে প্রবেশ করে উজবেক পরিচয় দিয়ে।

১২ অক্টোবর, ২০১২: রবার্ট নামের ওই ব্যক্তিকে একটি বন্দুক সরবারহ করা হয় যার মধ্যে গুলি ছিল না। বন্দুকধারী মালালার ওপর মিছেমিছি গুলি চালায়। এ সময় মালালা নিজেকে আঘাতপ্রাপ্ত হওয়ার ভান করে। মালালার কাছে আগে থেকে টমেটোর সস রাখা ছিলো যা সে শরীর ও মুখে মেখে নেয়। পূর্ব পরিকল্পনার অংশ হিসেবে একটি অ্যাম্বুলেন্স সেখানে পৌঁছায় এবং মালালাকে নিয়ে যায়। এরপর পশ্চিমা মিডিয়াগুলো সারাবিশ্বে প্রচার করে মালালাকে তালেবান জঙ্গি গুলি করেছে।

তথ্যসূত্রঃ

Malala: The real story (with evidence)
http://dawn.com/news/1048776

http://newspage24.com/2013/article/7010#.Ulg0YtKl4k1

http://71bangla.net/মালালার-আসল-রূপ-জন্ম-হাঙ্/

http://www.poriborton.com/article_details.php?article_id=34086

https://www.facebook.com/photo.php?fbid=379987748804103&set=a.109280019208212.9645.100003786434304&type=1&theater


Very Interesting News ! মালালার ধর্ম খ্রিস্টান, জন্ম হাঙ্গেরীতে!

বহুল আলোচিত পাকিস্তানি কিশোরী মালালা ইউসুফজাই আসলে পাকিস্তানিই নয়। তার জন্ম হাঙ্গেরিতে। মালালা নামটিও নকল, তার আসল নাম জেইন।এমনকি তার বর্তমান বাবা-মা'ও আসল নয়। তার প্রকৃত বাবা-মা দুজনই খ্রিস্টান মিশনারিজের সদস্য। তারা মালালাকে বর্তমান পাকিস্তানি পিতা-মাতাকে উপহার হিসেবে দিয়ে যান। তবে এজন্য তাদেরকেও খ্রিস্টান ধর্ম গ্রহণ করতে হয়। আর তাকে গুলি করার ঘটনাটিও ছিল গোয়েন্দাদের সাজানো।

পাকিস্তানের ডন পত্রিকার একটি বিশেষ অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। গত এপ্রিল মাসে পাকিস্তানের প্রভাবশালী এই দৈনিক পত্রিকাটি একটি চৌকস সাংবাদিক গ্রুপ সোয়াত উপত্যকায় পাঠায়। দীর্ঘ পাঁচ মাসের অনুসন্ধানের পর তথ্য-প্রমাণসহ তারা যে প্রতিবেদন পেশ করেছে, তাতে সকলের চোখ চড়ক গাছ হওয়ার মতো।

২০১২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে সোয়াত উপত্যকায় মালালা নামের ১৫ বছরের একটি স্কুল পড়ুয়া মেয়ে তালেবান যোদ্ধাদের হামলায় মাথায় ও মুখে গুলি খেয়েছে বলে খবর পাওয়া যায়। পরে এটি ব্যাপকভাবে পাকিস্তানের স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রচার পায়। পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যের ডাক্তারদের অক্লান্ত পরিশ্রম এবং মাথা-মুখে একাধিক অস্ত্রোপচারের পর মালালা সুস্থ হয়ে উঠে।

এখন মালালা বাস করছে যুক্তরাজ্যে এবং সে পাকিস্তানে নারী শিক্ষার অকুতোভয়ে কাজ করে যাওয়ার আত্মপ্রত্যয়ও ব্যক্ত করেছেন। বিশেষ করে যেসব স্থানে তালেবানরা মেয়েদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিচ্ছে, সেই স্থানেই তিনি তার এই সংগ্রাম চালিয়ে যাবেন। কিন্তু মালালা কাহিনীর এটা একটা দিক মাত্র।

ডনের অনুসন্ধানী টিমটি জানিয়েছে, মালালা পাকিস্তানি নয় এবং তার জন্মও পাকিস্তানে নয়। তিনি পশতুভাষীও নন। সোয়াত এলাকার খ্যাতিমান ডাক্তার ইমতিয়াজ আলী খানজাই জানিয়েছেন, তার কাছে মালালার ডিএনএ রিপোর্ট রয়েছে যা প্রমাণ করে মালালা পশতুভাষী নয়। ইমতিয়াজ আলী খানজাই সোয়াত উপত্যকায় একটি প্রাইভেট ক্লিনিক পরিচালনা করেন। তিনি ডিএনএ রিপোর্টের একটি কপি সাংবাদিকদের কাছে দিয়ে বলেন, মালালা ছোটবেলায় তার ক্লিনিকে কান ব্যথার চিকিৎসার জন্য এসেছিলেন।

তিনি বলেন,‘গত বছর মালালা আহত হওয়ার পর হঠাৎ আমার মনে পড়লো তার কানের কিছু খইল আমার শিশিতে রাখা আছে। রোগীদের কানের খইল সংগ্রহে রাখা আমার একটা শখ।’

তিনি দাবি করে বলেন, ‘ডিএনএ অনুসারে মালালা একজন ককেসিয়ান। সম্ভবত তারা এসেছেন পোল্যান্ড থেকে। ডাক্তার যখন মালালার পরিচয়সূত্রটি তার বাবাকে বলেন, তখন তিনি থতমত খেয়ে যান এবং তোতলাতে থাকেন।

ইমতিয়াজ আলী খানজাই বলেন, ‘মালালার পিতা তখন ডাক্তারকে অনুরোধ করেন তিনি যা জেনেছেন সেটা যেন কাউকে না বলেন। আমি তাকে কাউকে বলব না, কিন্তু তাকে আমার কাছে আসল ঘটনা বলতে হবে।’

মালালার পিতা জানান, মালালার আসল নাম জেইন। তার জন্ম হাঙ্গেরিতে ১৯৯৭ সালে। তার আসল বাবামা দুজনই খ্রিষ্টিয়ান মিশনারিজ। তারা ২০০২ সালে সোয়াত এলাকায় আসেন। তারা মালালাকে বর্তমান পিতামাতাকে উপহার হিসেবে দেন। বিনিময়ে গোপনে তাদেরকেও খ্রিস্টান ধর্ম গ্রহণ করতে হয়।

তিনি বলেন, 'তিনি এখন বুঝতে পেরেছেন মালালাকে আসলে একটি পাকিস্তান বিরোধী উপকরণ হিসেবে সোয়াতে রেখে যাওয়া হয়েছে।'

তিনি আরো বলেন, ‘তিনি প্রমাণ করে দিতে পারবেন যে তরুণ মালালাকে গুলি করেছে সে পশতুভাষী নয়। সেই তরুণেরও কানের খইল তার কাছে আছে।’

সেই তরুণের ডিএনএ’র কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘তরুণটি সম্ভবত ইতালির অধিবাসী। তারপর তিনি একটি মাইক্রোস্কোপের মাধ্যমে সাংবাদিকদের তরুণটির কানের খইল দেখান। ডাক্তার আরো বলেন, ‘তিনি যা জেনেছেন তা সঙ্গে সঙ্গে ই-মেইলের মাধ্যমে তিনি পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইকে জানিয়েছেন।’

এর কয়েকদিন পরই পুলিশ ক্লিনিকে হানা দেয়। তিনি তখন ছিলেন সৌদি আরব। সেখানে গিয়েছিলেন সৌদি রাজ পরিবারের কয়েকজনের কানের খইল যোগাড় করার জন্য। পুলিশ কানের খইলগুলো কোথায় রাখা হয়েছে তা জানার জন্য তার ক্লিনিকের কর্মচারীদের সঙ্গে খুবই খারাপ ব্যবহার করে।

এ বছরের জুন মাসে একজন আইএসআই সদস্য তার ক্লিনিকে আসেন এবং পুলিশের হামলা ও দুর্ব্যবহারের জন্য ক্ষমা চান। আইএসআই সদস্য তাকে বলেছেন, ‘মালালার আসল পরিচয় সম্পর্কে আইএসআই ওয়াকিবহাল আছে।’

ওই আইএসআই কর্মকর্তার ফোন নাম্বারও তিনি সাংবাদিকদের সরবরাহ করেন। ওই কর্মকর্তা কিছুতেই সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলবেন না। পরে তিনি ‘মাস্টার এক্স’ ছদ্মনামে কথা বলতে রাজি হন।

http://stream.aljazeera.com/story/201310120013-0023107
 

 http://dawn.com/news/1048776
 http://newspage24.com/2013/article/7010#.Ulg0YtKl4k1


MALAL
 http://71bangla.net/%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%B8%E0%A6%B2-%E0%A6%B0%E0%A7%82%E0%A6%AA-%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AE-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%99%E0%A7%8D/

বুধবার, ১৭ এপ্রিল, ২০১৩

একখান ইলিশ মাছের দামও অনেক বেশি !

"বাসায় আসার পথে মাছের বাজারের পাশ থেকে যাচ্ছিলাম ... উপচে পড়া ভিড় ... এক মাছওয়ালা বিরাট একটা ইলিশ মাছ সামনে রেখে বলতেছেঃ "খালি লন ৮০০০ !! এক দাম ৮০০০ !! কম নাই ৮০০০ !!"

এক লোক ঐখানেই মাছটা কিনে নিলো !!

দাঁড়ায়ে দাঁড়ায়ে চিন্তা করলাম, একটা মাছ ধরা জালের দাম কত ?? ... মাছ ধরার কোচিং করতে কোর্স ফি কত ??

মাছওয়ালা ভাইকে ফ্রি পেয়ে জিজ্ঞেস করলাম, "ভাই !! জালের দাম কত ??" ...উনি বললো, "বেশি না ... বানাইলে ২০০-৩০০ ও খরচ পড়ে না !!"

তারপর জিজ্ঞেস করলাম, "মাছ ধরার কোচিং এর ফি কত ??"

সে হেসে বললো, "আরে মামা !! এডি ২ দিন দেখাইয়া দিলেই শিখন যায়, আবার ট্যাকা কী ??"

আগ্রহ সহকারে জিজ্ঞেস করলাম, "এই বৈশাখের মৌসুমে কত লাভ হইলো আপনার ??"

সে বললো, "গত এক সপ্তাহে মনে করেন ৩০ হাজারের মত ... আরো ২ দিনে আরো হইবো !!"

দাঁড়ায়ে দাঁড়ায়ে চিন্তা করতেছিলাম, ছোটবেলা থেকে পড়াশুনার পিছনে বাপ-মার লাখ টাকা খরচ করাইছি ... কোচিং করে হাজার হাজার টাকা খরচ করাইছি ... খরচের প্রসেস চলতেছে এখনো !!

মাছওয়ালা মামা আমার চিন্তিত চেহারা দেখে বলে, "মামা !! মাছ ধরা শিখ্যা ফালান ... পড়াশুনা কইরা কি হইবো ?? ... আমি কেলাস ফাইভ এর পর আর পড়ি নাইক্কা ... মাছ ধরছি আর বেইচ্যা দিছি আর ট্যাকা কামাইছি ... আগে গেরামে থাকতাম, কয়দিন আগে জমি কিনছি ঢাকায় !!"

মাছওয়ালা মামা আরো কিছু মনে হয় বলতেছিলো ... আমার কানে আর কিছু ঢুকলো না ... এক ফকিরের এক মাসে ৩০ হাজার টাকা কামানোর কাহিনী শুনছিলাম বেশ আগে ... এরপর আজকে শুনলাম মাছওয়ালার জমি কেনার কাহিনী !!

পড়াশুনা করে জীবনে করলামটা কী ??

ও খোদা মোরে তুইলা নাও,নইলে দড়ি ফালাও,বইয়া বইয়া উঠি

দড়ি না ফালায়ে মাছ ধরার জাল ফালাইলেও চলবে ... একখান ইলিশ মাছের দামও অনেক বেশি !!"

বুধবার, ১০ এপ্রিল, ২০১৩

ইসলাম শুধুমাত্র নামাজ, রোজা নয়..!

ইসলাম শুধুমাত্র নামাজ, রোজা ও কয়েকটি রীতিনীতির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়

আজকাল ইসলাম কয়েকটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান সর্বস্ব ব্যাপার হয়ে দারিয়েছে। পাঁচ ওয়াক্ত নামায পড়া, রমযানের রোযা রাখা, হজ্ব করা, লম্বা জামা ও টুপি পড়া এবং জুম্মার নামাজের পর লম্বা দোয়া করা ইত্যাদিকেই বর্তমানে ইসলামের বিধিবিধান হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আমাদের প্রাত্যহিক কার্যাবলীর সাথে ইসলামের কোন সম্পর্ক নেই। আমাদের জীবনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য, আমাদের পছন্দ ও অপছন্দ ইসলামের সম্পূর্ণ বিপরীত। টাকা, ফূর্তি এবং স্থুল বাসনা চরিতার্থ করাই এখন প্রত্যেকের জীবনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য।

ইসলাম প্রচলিত অন্যান্য ধর্মের মত নয়। এটি মানবজাতির জন্য একটি ব্যবহারিক ও সামগ্রিক জীবনবিধান। আল্লাহ মানুষকে সৃষ্টি করেছেন এবং জীবনযাপনের নিয়ম-কানুন তিনিই প্রদান করেছেন। আল্লাহ পাক সূরা আল মায়েদাহ্-তে বলেন-

‘আজ আমি তোমাদের দ্বীনকে তোমাদের জন্য পরিপূর্ণ করে দিলাম, তোমাদের উপর আমার অনুগ্রহ সম্পূর্ণ করলাম এবং ইসলামকে তোমাদের জীবনবিধান হিসেবে মনোনীত করলাম।’

ইসলাম, জীবনযাপন উপযোগী ব্যাপক সমাধান ও আইন প্রনয়ন করেছে। ব্যক্তি জীবন থেকে শুরু করে সামাজিক জীবন সহ সবকিছুতেই ইসলাম সুস্পষ্ট আইন ও বিধান প্রদান করেছে। আল্লাহ আমাদের সাথে তার সম্পর্কের পদ্ধতি প্রদান করেছেন, যেমনঃ নামায, রোজা, হজ্ব ইত্যাদির; আবার ব্যক্তির নিজের সাথে নিজের সম্পর্কের ক্ষেত্রেও পদ্ধতি প্রদান করেছেন, যেমন: মানুষ যা খায় এবং যা পড়ে সে সম্পর্কের বিধান। এছাড়াও আল্লাহ তা'আলা সমাজে মানুষ অন্য মানুষের সাথে কিভাবে সম্পর্ক স্থাপন করবে তা নিয়ন্ত্রণ করা জন্যও বিধান প্রণয়ন করেছেন; যেমন কিভাবে ব্যবসা পরিচালনা করতে হবে, কিভাবে শাসনকার্য ও বিচার ব্যবস্থা চলবে এমনকি বিপরীত লিঙ্গের সাথে আচরণ কিরূপ হবে।

সূরা আন-নাহল এ আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা বলেন-

‘এবং আমি আপনার নিকট এমন এক পুস্তক প্রকাশ করেছি যাতে সকল বিষয়ে সবিস্তারে বর্ননা করা হয়েছে।’

যেহেতু আমরা আমাদের প্রাত্যহিক জীবন থেকে আল্লাহর মনোনীত দ্বীন-ইসলামকে পরিত্যাগ করেছি, সেহেতু আমাদের জীবনে ধ্বংস, বিশৃঙ্খলা ও হতাশা ভয়ংকর রূপে দেখা দিয়েছে। মানুষের উদ্ভাবিত ধ্যান-ধারনা ও আইনকানুন আমাদের অবস্থার পরিবর্তন করতে সম্পূর্নরূপে ব্যর্থ হয়েছে। এখন সময় এসেছে ইসলামকে কিছু আচার সর্বস্ব ধর্ম হিসেবে গ্রহণ করার মানসিকতা ঝেড়ে ফেলে একটি পরিপূর্ণ জীবন বিধান হিসেবে গ্রহণ করার।

হেফাজতের ১৩ দফার একটিও যদি মেনে নেয়া হয় ...

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।

দেশের তাবৎ বাম বুদ্ধিজীবী, মিডিয়া রাজনীতিবিদরা হাহাকারে মাতম তুলছে যে হেফাজতের ১৩ দফার একটিও যদি মেনে নেয়া হয় তাহলে দেশ আফঘানিস্তান হয়ে যাবে। আর তাদের সেই মাতমের সাথে হুক্কা হুয়া রবে কিবোর্ডে ঝড় তুলছে কিছু ফেসবুকীয় সুশীল। যারা এই কথা বলছে তারা হেফাজতের ১৩ দফা নিশ্চয়ই পড়েছেন এবং আদ্যোপান্ত বিশ্লেষণ করেছেন, তাই এই ১৩ দফা আর নতুন করে লিখতে চাইনা। এই ১৩ দফা বর্তমান বাংলাদেশে বাস্তবায়ন সম্ভব না এইটা আমিও স্বীকার করি। কোন দল আওয়ামীলীগ, বিএনপি এমনকি জামাতে ইসলামীও যদি এখন রাষ্ট্র ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত থাকত তাহলে এই ১৩ দফা সম্পূর্ণরুপে বাস্তবায়ন অন্তত এই মুহূর্তে সম্ভবপর হতনা। কারণ, এই সব গুলো দাবী তখনই বাস্তবায়ন সম্ভব যখন একটি পরিপূর্ণ ইসলামী বিপ্লবের মাধ্যমে একটি পরিপূর্ণ ইসলামী রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হবে। আর, বিপ্লব কোন গাছের ফল নয় যে টুপ করে পেড়ে খেয়ে নিলাম। সামাজিক বিপ্লব, অর্থনীতি, রাজনীতি, সংস্কৃতি, শিক্ষাব্যবস্থা, পররাষ্ট্রনীতি, মিডিয়া, জনগণের জীবনাচার ইত্যাদিকে পরিপূর্ণরুপে ইসলামের আলোকে ঢেলে সাজানো ব্যতীত কখনোই একটি পরিপূর্ণ এবং 'sustainable' ইসলামী বিপ্লব সম্ভবপর নয়। এ এক বিস্তারিত আলোচনা, এর গভীরে ঢুকলামনা।

কিন্তু মহামান্য, আপনি বলবেন কি হেফাজতে ইসলামের কোন দফাটি কত নাম্বার দফাটি ইসলামের সাথে সাঙ্ঘর্ষিক?? অথবা, একজন মুসলমান হিসেবে তাদের কোন দাবীটি আপনি অস্বীকার করতে পারেন?? আপনি যখন নিজেকে মুসলিম হিসেবে দাবী করেন, তখন এও মানেন যে ইসলাম শুধু মধ্যযুগের জন্য আসেনি। ইসলামের সুমহান নীতিমালা গুলো সর্বযুগেই সময় কাল ও স্থানের ঊর্ধ্বে। নাকি আপনি মনে করেন যে ইসলাম একুশ শতকে এসে অচল?? আপনি কি মনে করেন যে যেই মহান সৃষ্টিকর্তা আমাকে আপনাকে এবং এই মহাবিশ্ব সৃষ্টি করেছেন, পরিচালনার নীতিমালা গুলো তাঁর চেয়ে তাঁর সৃষ্টি মানুষ বেশী জানেন?? ঝেড়ে কাশবেন জনাব। প্রত্যেকটি দাবী চিরন্তন, অবিনশ্বর এবং মানা উচিৎ, এটা স্বীকার আপনাকে করতেই হবে, যদি আপনি মুসলমান।

হেফাজতের একটি দাবী নিয়ে আমি একটু কথা বলতে চাই। তারা দাবী করেছে পার্বত্য চট্টগ্রামে খৃস্টান মিশনারিদের মাধ্যমে জোর করে খৃস্টান ধর্মে দীক্ষিতকরণ বন্ধ করতে হবে। আমি দেখেছি বান্দরবানের একটি থানায় ২৭ টি খৃস্টান এন
জিও কাজ করছে যাদের কার্যক্রম শুধুমাত্র পার্বত্য জেলায় সীমাবদ্ধ। ঐ এলাকার উপজেলা চেয়ারম্যানের তথ্য অনুযায়ী ঐ উপজেলার প্রায় ৪০% মানুষকে ওরা মিশনারিদের মাধ্যমে খৃস্টান ধর্মে দীক্ষিত করেছে। ব্যাোম নামে একটি সম্প্রদায় আছে যাদের পুরো সম্প্রদায়কে খৃস্টান ধর্মে দীক্ষিত করা হয়েছে। তাছাড়া ত্রিপুরা নামে আরও একটি সম্প্রদায় রয়েছে যাদের প্রায় ৫০% মানুষকে খৃস্টান ধর্মে দীক্ষিত করা হয়েছে। পুরো পার্বত্য অঞ্চলের অধিকাংশ উপজেলার চিত্র একই। সবথেকে বিস্ময়ের ব্যাপার হল, এই সরকার ক্ষমতায় আসার পর পার্বত্য অঞ্চলে ইসলামিক ফাউন্ডেশানের যাবতীয় কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এর ব্যাখ্যা আমি জানিনা। পার্বত্য চট্টগ্রামে বছরের পর বছর ধরে উপজাতি জনগোষ্ঠীকে খৃস্টান মিশনারীদের মাধ্যমে খৃস্টান ধর্মে ধর্মান্তরিত করে, পার্বত্য অঞ্চলে একটি স্বাধীন খৃস্টান রাষ্ট্র গঠনের অপচেষ্টা এদেশের দেশপ্রেমিকের ভেকধারী বুদ্ধিজীবীরা জেনেও চুপ থেকেছে বছরের পর বছর।

হেফাজতে ইসলামীর এই দফাটি বাস্তবায়িত হলে স্বাধীন সার্বভৌম এই বাংলাদেশ কিভাবে আফঘানিস্তান হবে দেশপ্রেমের সোল এজেন্টরা ব্যাখ্যা করবেন প্লিজ। অথবা কোথায় বিন্দুমাত্র এই দেশের অপকার হবে ব্যাখ্যা করবেন।

----------------ডাঃ মেহেদি


 হেফাজতের দাবী মানলে দেশ কি মধ্যযুগীয় বর্বরতায় ফিরে যাবে?
মঙ্গলবার, 09 এপ্রিল 2013 19:02 পরিচালক হিট সংখ্যা: 2

(একজন বিদগ্ধ পাঠকের প্রতিক্রিয়া)

হেফাজতে ইসলামীর দাবী মানা হলে দেশ মধ্যযুগীয় বর্বরতায় ফিরে যাবে। নারীর স্বাধীনতা ভূলুণ্ঠিত হবে। নারীরা কল-কারখানায় চাকুরী করতে পারবে না। শিা দীায় নারীরা মনোনিবেশ করতে পারবে না। এসব বলে দেশের কিছু বর্ণচোরা বুদ্ধিজীবী, মিডিয়া কর্মী এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব চায়ের কাপে ঝড় তুলছেন। হেফাজতের তেরটি দাবীর একটি দাবীকে নিয়ে তুমুল কান্ডকারখানা করার প্রয়াস পাচ্ছে। এই দাবীকে সামনে নিয়ে এত বেশী জোরালো চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে, যাতে করে বাকী দাবীগুলো সম্পর্কে মানুষ আগ্রহ বোধ না করে। আসুন হেফাজতে ইসলামীকে মধ্যযুগে ফিরে থেকে বিরত করার জন্য সেই দাবীটি নিয়ে পর্যালোচনা করা যাক। দাবীটি নিম্নরূপ।



ব্যক্তি ও বাক-স্বাধীনতার নামে সব বেহায়াপনা, অনাচার, ব্যভিচার, প্রকাশ্যে নারী-পুরুষের অবাধ বিচরণ, মোমবাতি প্রজ্বলনসহ সব বিজাতীয় সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ বন্ধ করতে হবে।

শুরুতেই কিছু প্রশ্ন তাদের উদ্দেশ্যে, যারা মধ্যযুগীয় বর্বরতায় ফিরে যেতে চায় না:


১. ব্যক্তি ও বাক স্বাধীনতার নামে তারা বেহায়াপনা, অনাচার ও ব্যভিচার চায় কি না? তারা তাদের সমাজে ও পারিবারিক জীবনে স্ত্রী-পুত্র-কন্যাসহ পরিবার পরিজন নিয়ে এসব আচরণ ইতিমধ্যে শুরু করেছেন কিনা? যদি নিজেরা অনুশীলন করে থাকেন তাহলে কোন কথা নাই যদি না করে থাকেন তাহলে বিরোধিতা কেন করছেন? কোন মতলবে? পরিষ্কার করাটা আপনাদের দায়িত্বে বর্তায়!

২. প্রকাশ্যে নারী-পুরুষের অবাধে বিচরণ করার সুযোগের জন্য আপনাদের এত আকাঙ্া কেন? আপনারা ব্যক্তি জীবনে নিজেদের পরিবার ও সন্তানদের জন্য এমন একটি সমাজ কামনা করেন কিনা? যেখানে নিজেদের কন্যা পুত্ররা স্বাধীনতার নামে অবাধ বিচরণ করবে আর পিতা-মাতা হিসেবে তা তাকিয়ে উপভোগ করবেন? যদি কামনা করেন তাহলে আলাদা বিষয়, যদি কামনা না করেন তাহলে হেফাজতের দাবীর মাঝে অসঙ্গতি কি পেলেন?

৩. হেফাজতে ইসলামীর দাবী দ্বারা নিচের কথাগুলো প্রমাণিত হয়না, যে-


- তারা গার্মেন্টস এ নারী শ্রমিক নিয়োগ বন্ধ করতে চায়।

- নারীরা স্কুল কলেজে ভর্তি হতে পারবে না।

- নারীরা সমাজের উন্নয়নের কাজে অংশ গ্রহণ করতে পারবে না।

- নারীরা চাকুরী করতে পারবে না। এবং

- নারীরা ব্যবসা বাণিজ্য করতে পারবে না।


৪. মোমবাতি প্রজ্বলন বাংলাদেশের কোন জাতিসত্ত্বার সংস্কৃতি নয়! বাংলাদেশের কোন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের কৃষ্টি নয়! কেউ মাজারে, কেউ বাজারে মোমবাতি জ্বালায়। একদা জাতীয় সংসদ মোমবাতি জালিয়ে চলেছিল। বিদ্যুতের অভাবে কেউ বাড়ীতে মোমবাতি জ্বালায়। মোমবাতি জ্বালিয়ে বিসিএস পরীা নিয়েছিল সরকার। এসব প্রয়োজন, বিপদে পড়ে জ্বালায়, কেউ তা অস্বীকার করে না। তবে সেটা সংস্কৃতির অংশ নয় হলফ করে বলা যায়। সেটাকে আইন করে বিতাড়িত করলে কিংবা অপছন্দ করলে কারো আহত হবার কারণ থাকে না। দাবী মানা কিংবা না মানা কারো ব্যাপার হতে পারে, তবে কেউ যদি নিষিদ্ধের দাবী তুলে তাহলে তা মধ্যযুগে ফিরে যাবার সাথে বায়বীয় তামাশা ছাড়া আর কিছুই নয়!


- আজ বাংলাদেশের নারীরা ইট ভাঙ্গার কাজ করছে।

- আজ বাংলাদেশের নারীরা রাস্তায় মাটি কাটার কাজ করছে।

- আজ বাংলাদেশের নারীরা রিক্সা চালাচ্ছে।

- আজ বাংলাদেশের নারীরা মিল-কারখানায় শ্রমিকের কাজ করছে।


এসব কাজ নারীর জন্য সম্মান বয়ে আনে না। বরং পুরুষেরা নারীদের ন্যায় সঙ্গত অধিকার দিতে চায় না বলেই নারীরা এ জাতীয় কঠিন কাজে নিজেদের নিয়োজিত করেছে। এ জন্য সমাজ দায়ী, সরকার দায়ী এবং মানুষের মানসিকতা দায়ী। এসবের সাথে অবাধ মেলামেশার দাবীর যোগসূত্র কোথায়?

পেটের তাগিদে নারীরা যদি পুরুষের কাছে আসতেই হয়, সেটার নাম ‘অধিকার’।

নারীদের কে নারীর স্থানে কাজ করার সুযোগ না দেবার নাম, ‘অধিকারে হস্তপে’।

পুরুষ যদি তাদের অধিকার ফিরিয়ে না দেয় সেটার নাম ‘জুলুম’।

নারীর কাজের প্রতি পুরুষ, আর পুরুষের কাজের প্রতি নারীর আগ্রহ বোধের নাম ‘অবাধ্যতা’।

অবাধ্যতা যেখানে, বিশৃঙ্খলা-অরাজকতা সেখানে, তাই নাগরিকেরা বিশৃঙ্খলা আর জুলুমের শিকার।

এসব ঘটনা মোটেই ইসলাম ধর্মের অনুশাসন কিংবা হেফাজতে ইসলামীর দাবীর কারণে হয়নি।

চিত্তের তাগিদে নারীরা যদি পুরুষের আছে আসে, সেটার নাম ‘বেহায়াপনা’।

চিত্ত সুখ পুরণার্থে পুরুষ যদি নারীর সাথে জড়িয়ে যায় সেটার নাম ‘অনাচার’।

চিত্ত সুখ পুরণার্থে যদি অন্যায়, অবৈধ ও অন্যায্য সুযোগ গ্রহণ করা হয় তার নাম ‘ব্যভিচার’।

চিত্ত সুখ পুরণার্থে যদি সমাজ, সংস্কৃতি, কৃষ্টি ও ধর্মকে অবজ্ঞা করে তার নাম ‘অযাচার’।

যে সকল ব্যক্তিরা হেফাজতে ইসলামীর দাবির বিরোধিতা করছে তারা সবাই উপরের চারটি পর্যায়ের কোন একটির পর্যায়ভুক্ত। তাদের জ্ঞান, ধ্যান, ধারনা, বিদ্যা, বুদ্ধি, যুক্তি নারীকে ব্যবহার কেন্দ্রিক। তাদের পান্ডিত্যে একজন কিশোরী ও যুবতীর প্রতি যত আগ্রহ; একজন বৃদ্ধা, শিশু, বালিকার প্রতি ততোধিক অনাগ্রহ।

হেফাজতে ইসলামের এই দাবী পূরণ হলে দেশ মধ্যযুগে ফিরে যাবে না। বরং বলা চলে এই দাবী বাস্তবায়ন হলে নারীরা তাদের অধিকার ফিরে পাবে। ইসলাম পেটের অধিকার আগে সংরণ করে, তারপর পিটের অধিকার নিয়ে চিন্তা ভাবনা করে। ইসলাম গার্মেন্টস, কল কারখানা, শিায় নারীদের অংশগ্রহণকে বাধা দিবে না। বরং সেখানে অসহায় নারীদের জন্য, নারী অভিভাবক দিয়ে নারীর অধিকার সুদৃঢ় করবে। নারী শ্রমিককে কর্ম হারা করা ইসলামের ল্য নয়, বরং তার কর্মত্রেকে উৎপাত, উত্ত্যক্ত ও কটূক্তি কারী থেকে মুক্ত রাখতে সচেষ্ট হবে।

ইসলাম অবশ্যই নারী-পুরুষের জন্য যাতে আলাদা আলাদা কর্মত্রে তৈরি করা হয়, সে দাবী জানায়। আরব দেশেও নারীরা গাড়ী চালায়, ব্যবসা চালায়, চাকুরী করে, লেখাপড়া করে। সেটা নারী-পুরুষের অবাধ বিচরণের মাধ্যমে নয়, বরং সম্মানজনক পৃথক ব্যবস্থায়। নারী পুরুষের অবাধ মেলা মেশায় না গিয়ে যেখানে সমাজ চালানোর উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত আছে সেখানে, হেফাজতে ইসলামে দাবী ভুল হল কোথায়?

পরিশেষে: আমি হেফাজতে ইসলামীর কোন কর্মী নই, সমর্থক নই। তাদের কয়েকটি ধারার বিরোধিতা দেখে আমিও আগ্রহী হয়েছি পড়তে। বিস্তারিত পড়ার পর এই বিষয়ে লিখাটা আমার জন্য কর্তব্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই লিখলাম, দায়িত্ব পালন করলাম, তবে অনেক কর্তব্য বাকী রয়েছে। হেফাজতে ইসলাম হউক আর জামায়াতে ইসলাম হউক যারা সরাসরি কোরআন আর হাদিসের দাবী বাস্তবায়ন করতে প্রচেষ্টা চালায়। একজন মুসলিম হিসেবে সে দাবীগুলোর পে কথা বলাও প্রতিটি মুসলমানের কর্তব্য হয়ে দাঁড়ায়। যত নিন্দাবাদ আসুক, যত ভয় ভীতি আসুক, আসুন জাতিকে পরাশক্তির বেষ্টনী থেকে উদ্ধার কল্পে, একটি ইসলামী সমাজ, সংস্কৃতি, কৃষ্টি ও ধর্ম বিশ্বাস পুরণার্থে এসব দাবীর পে কথা বলি। এটাই একজন প্রকৃত মুসলমানের দাবী এবং একজন দেশপ্রেমিক প্রকৃত নাগরিকের পরিচয়।

মঙ্গলবার, ৯ এপ্রিল, ২০১৩

এই হাসিনা-খালেদা কখনই ইসলামের ভালো চায় নি...!?

শেখ হাসিনা বি.বি.সিকে দেওয়া বক্তব্যের এক পর্যায়ে বলেছে, " . . . . আমরা এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সক্ষম।"

খুবই স্বাভাবিক! পূর্ব পরিকল্পিত এই পরিস্থিতি সৃষ্টিতে শেখ হাসিনা এবং অন্যান্য ষড়যন্ত্রকারীরা আগে থেকেই নির্ধারণ করে রেখেছে কি করে এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।
এটা সুস্পষ্ট হয়ে গেছে, উম্মাহ'র আবেগকে কেন্দ্র করে কি জঘন্য খেলাটাই না খেলছে তারা। blasphemy আইন পাশের দাবিতে এর অন্যায়কারীর নিকট বিচার দাবির নামে মূলা ধরিয়ে দিচ্ছে এই যালিমগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা।

অথচ যালিমরা সুস্পষ্টভাবে প্রত্যাখ্যান করে যাচ্ছে উম্মাহ'র দাবী। তবুও কি তাদের থেকে বিচার আশা করা যৌক্তিক??

বর্তমানের যালিম শাসকের বিকল্প হিসেবে যদি আমরা কুফরের অপর প্রতিনিধি বি.এন.পিকে সমাধান হিসেবে আঁকড়ে ধরি তবে তাও সমাধান নয়। কারণ, সেও বিচার প্রেক্ষিতে ভিত্তি হিসেবে দাঁড় করাবে মানবরচিত শাসনব্যবস্থা।
আর বি.এন.পি বা আওয়ামী লীগ কি করে রাসূল(সা)-এর অপমানের বিচার করবে, যখন তারা বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ কুলাঙ্গার আমেরিকার সাথে আঁতাত করে বসে আছে।
আমেরিকা সেই রাস্ট্র, যে বাক-স্বাধীনতার নামে আইন দ্বারা আল্লাহ'র রাসূল(সা)-কে অপমানের বিষয়টি সুনিশ্চিত করে।
আমেরিকা সেই রাস্ট্র, যে সমগ্র বিশ্বজুড়ে মুসলিম উম্মাহ'র উপর নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে সন্ত্রাস দমনের নামে।
এই আমেরিকাকেই বাংলাদেশে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়ে ডেকে আঞ্ছে হাসিনা-খালেদা।

সুতরাং, কেন এইসকল বিক্রি হয়ে যাওয়া ব্যক্তিদের কাছে ধরণা দেওয়া?
কেন এদের কাছে বিচারের আশা করা?

বি.এন.পি বা এরশাদ বা অন্যান্য সকলেই শুধুমাত্র নির্বাচনে ভোটের আশায় এই নাটক সাজাচ্ছে এবং উম্মাহ'র আবেগ নিয়ে খেলা করে যাচ্ছে।

সুতরাং, আদৌ সময় থাকতে সঠিক সমাধান প্রতিষ্ঠায় আন্দোলন পরিচালনা করুন। নিজস্ব সত্তাকে, নিজস্ব বিশ্বাসকে, নিজস্ব পরিচয় বা দাবিকে বিক্রি করে দিবেন না এইসকল নর্দমার কীটদের কাছে; যারা সস্তামূল্যে উম্মাহ'র আবেগ বিক্রি করে কাফিরদের স্বার্থে.... 

---------Abdullah   Ibn  Amin

গরম খবরঃ আল্লামা শফীর বিরুদ্ধে ধর্ম তথা ইসলাম অবমাননার মামলা হতে যাচ্ছে। মামলায় বাদী পক্ষের উকিল হিসেবে থাকছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মহিলা শায়খুল ইসলাম(!!!) আল্লামা(!!!) ব্যারিস্টার তানিয়া আমীর।

খারাপ খবরঃ এইগুলো হচ্ছে কেয়ামতের আলামত। এই সব ঘটনাই প্রমাণ করে কেয়ামতের আর বেশী দেরী নাই।

সুখবরঃ আমরা এখন মারা গেলে আমাদেরকে আর বেশী দিন কবরের ভিতর থাকতে হবে না। :P :P (
(Tanvir  Ahmad  Arjel)
 
  হে মুসলিম গণ!!!

এই হাসিনা-খালেদা কখনই ইসলামের ভালো চায় নি। তারা সবসময় বাক স্বাধীনতা,গণতন্ত্র ইত্যাদি কুফরী মতবাদের নামে আমেরিকা-ব্রিটেন-ভারতের সুস্পষ্ট মদদপুস্ট সব নাস্তিকদের লালন করেছে। তাই আজ আপনাদের এই আন্দোলনকে তাদের স্বার্থে ব্যবহার হতে দিবেন না। বরং এরাই হচ্ছে আমেরিকা-ব্রিটেন-ভারতের মদদপুস্ট নাস্তিকদের রক্ষক বা মাওলা। তাই আজ আপনাদের এই আন্দোলন হতে হবে আমেরিকা-ব্রিটেন-ভারতের মদদপুস্ট হাসিনা-খালেদার বিরুদ্ধে এবং খিলাফত প্রতিষ্ঠার পক্ষে যাতে বাংলার মাটিতে আর কেউ রাসূল(সা) কে অপমান করার সাহস না পায়।

উমার(রা:) বলেন--
''
আল্লাহর শপথ! কোরান দিয়া আল্লাহ যতটুকু রক্ষা প্রতিহত করেন, রাষ্ট্রশক্তির(খিলাফাহ) মাধ্যমে আল্লাহ তার চেয়েও বেশি রক্ষা প্রতিহত করেন।''
''(
কাঞ্জুল উম্মাল)''
 ---------Ibn  Sarkar  Touhid