এই হাসিনা-খালেদা কখনই ইসলামের ভালো চায় নি...!?
শেখ হাসিনা বি.বি.সিকে দেওয়া বক্তব্যের এক পর্যায়ে বলেছে, " . . . . আমরা এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সক্ষম।"
খুবই স্বাভাবিক! পূর্ব পরিকল্পিত এই পরিস্থিতি সৃষ্টিতে শেখ হাসিনা এবং অন্যান্য ষড়যন্ত্রকারীরা আগে থেকেই নির্ধারণ করে রেখেছে কি করে এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।
এটা সুস্পষ্ট হয়ে গেছে, উম্মাহ'র আবেগকে কেন্দ্র করে কি জঘন্য খেলাটাই না খেলছে তারা। blasphemy আইন পাশের দাবিতে এর অন্যায়কারীর নিকট বিচার দাবির নামে মূলা ধরিয়ে দিচ্ছে এই যালিমগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা।
অথচ যালিমরা সুস্পষ্টভাবে প্রত্যাখ্যান করে যাচ্ছে উম্মাহ'র দাবী। তবুও কি তাদের থেকে বিচার আশা করা যৌক্তিক??
বর্তমানের যালিম শাসকের বিকল্প হিসেবে যদি আমরা কুফরের অপর প্রতিনিধি বি.এন.পিকে সমাধান হিসেবে আঁকড়ে ধরি তবে তাও সমাধান নয়। কারণ, সেও বিচার প্রেক্ষিতে ভিত্তি হিসেবে দাঁড় করাবে মানবরচিত শাসনব্যবস্থা।
আর বি.এন.পি বা আওয়ামী লীগ কি করে রাসূল(সা)-এর অপমানের বিচার করবে, যখন তারা বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ কুলাঙ্গার আমেরিকার সাথে আঁতাত করে বসে আছে।
আমেরিকা সেই রাস্ট্র, যে বাক-স্বাধীনতার নামে আইন দ্বারা আল্লাহ'র রাসূল(সা)-কে অপমানের বিষয়টি সুনিশ্চিত করে।
আমেরিকা সেই রাস্ট্র, যে সমগ্র বিশ্বজুড়ে মুসলিম উম্মাহ'র উপর নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে সন্ত্রাস দমনের নামে।
এই আমেরিকাকেই বাংলাদেশে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়ে ডেকে আঞ্ছে হাসিনা-খালেদা।
সুতরাং, কেন এইসকল বিক্রি হয়ে যাওয়া ব্যক্তিদের কাছে ধরণা দেওয়া?
কেন এদের কাছে বিচারের আশা করা?
বি.এন.পি বা এরশাদ বা অন্যান্য সকলেই শুধুমাত্র নির্বাচনে ভোটের আশায় এই নাটক সাজাচ্ছে এবং উম্মাহ'র আবেগ নিয়ে খেলা করে যাচ্ছে।
সুতরাং, আদৌ সময় থাকতে সঠিক সমাধান প্রতিষ্ঠায় আন্দোলন পরিচালনা করুন। নিজস্ব সত্তাকে, নিজস্ব বিশ্বাসকে, নিজস্ব পরিচয় বা দাবিকে বিক্রি করে দিবেন না এইসকল নর্দমার কীটদের কাছে; যারা সস্তামূল্যে উম্মাহ'র আবেগ বিক্রি করে কাফিরদের স্বার্থে....
---------Abdullah Ibn Amin
শেখ হাসিনা বি.বি.সিকে দেওয়া বক্তব্যের এক পর্যায়ে বলেছে, " . . . . আমরা এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সক্ষম।"
খুবই স্বাভাবিক! পূর্ব পরিকল্পিত এই পরিস্থিতি সৃষ্টিতে শেখ হাসিনা এবং অন্যান্য ষড়যন্ত্রকারীরা আগে থেকেই নির্ধারণ করে রেখেছে কি করে এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।
এটা সুস্পষ্ট হয়ে গেছে, উম্মাহ'র আবেগকে কেন্দ্র করে কি জঘন্য খেলাটাই না খেলছে তারা। blasphemy আইন পাশের দাবিতে এর অন্যায়কারীর নিকট বিচার দাবির নামে মূলা ধরিয়ে দিচ্ছে এই যালিমগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা।
অথচ যালিমরা সুস্পষ্টভাবে প্রত্যাখ্যান করে যাচ্ছে উম্মাহ'র দাবী। তবুও কি তাদের থেকে বিচার আশা করা যৌক্তিক??
বর্তমানের যালিম শাসকের বিকল্প হিসেবে যদি আমরা কুফরের অপর প্রতিনিধি বি.এন.পিকে সমাধান হিসেবে আঁকড়ে ধরি তবে তাও সমাধান নয়। কারণ, সেও বিচার প্রেক্ষিতে ভিত্তি হিসেবে দাঁড় করাবে মানবরচিত শাসনব্যবস্থা।
আর বি.এন.পি বা আওয়ামী লীগ কি করে রাসূল(সা)-এর অপমানের বিচার করবে, যখন তারা বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ কুলাঙ্গার আমেরিকার সাথে আঁতাত করে বসে আছে।
আমেরিকা সেই রাস্ট্র, যে বাক-স্বাধীনতার নামে আইন দ্বারা আল্লাহ'র রাসূল(সা)-কে অপমানের বিষয়টি সুনিশ্চিত করে।
আমেরিকা সেই রাস্ট্র, যে সমগ্র বিশ্বজুড়ে মুসলিম উম্মাহ'র উপর নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে সন্ত্রাস দমনের নামে।
এই আমেরিকাকেই বাংলাদেশে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়ে ডেকে আঞ্ছে হাসিনা-খালেদা।
সুতরাং, কেন এইসকল বিক্রি হয়ে যাওয়া ব্যক্তিদের কাছে ধরণা দেওয়া?
কেন এদের কাছে বিচারের আশা করা?
বি.এন.পি বা এরশাদ বা অন্যান্য সকলেই শুধুমাত্র নির্বাচনে ভোটের আশায় এই নাটক সাজাচ্ছে এবং উম্মাহ'র আবেগ নিয়ে খেলা করে যাচ্ছে।
সুতরাং, আদৌ সময় থাকতে সঠিক সমাধান প্রতিষ্ঠায় আন্দোলন পরিচালনা করুন। নিজস্ব সত্তাকে, নিজস্ব বিশ্বাসকে, নিজস্ব পরিচয় বা দাবিকে বিক্রি করে দিবেন না এইসকল নর্দমার কীটদের কাছে; যারা সস্তামূল্যে উম্মাহ'র আবেগ বিক্রি করে কাফিরদের স্বার্থে....
---------Abdullah Ibn Amin
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন